অর্থনৈতিক উন্নতির সব সূচকেই বাংলাদেশের পেছনে পাকিস্তান

এক সময়ের শোষক পাকিস্তান অর্থনৈতিক উন্নতির সম্ভাব্য সব সূচকেই আজ বাংলাদেশের পেছনে। সুবর্ণজয়ন্তীতে এটাকেই সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করছে সরকার। ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে একের পর এক বড় প্রকল্পেও এসেছে বিশ্বকে তাক লাগানো সাফল্য, যা দেখে নিন্দুকরাও পঞ্চমুখ লাল সবুজের প্রশংসায়। তবে অর্থপাচার, নতুন কর্মসংস্থানের অভাব আর নিত্যপণ্যের বাজারের অসন্তোষকে টেকসই অগ্রগতির পথে বড় বাধা বলেই মনে করে বোদ্ধামহল।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী বলেন, বঙ্গবন্ধু ইকোনিক জোন এই একটা জায়গাতে প্রায় ১৫ লাখ মানুষকে নিযোগ করা যাবে কাজে।  

বাণিজ্যমন্ত্রীর এমন আত্মবিশ্বাসের নেপথ্যে কি শুধুই পরিসংখ্যান? বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরীর পরিকল্পনা তাকে দিয়েছে অবিশ্বাস্য আত্মবিশ্বাস। শুধু এই প্রকল্প নয়,পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, কর্ণফুলী টানেল কিংবা পায়রা বন্দর বাংলাদেশের আগামীর অর্থনীতির রূপরেখাই পাল্টে দেবে।

৫০ বছরের পথচলায় বাংলাদেশ আজ অনেকটাই স্বনির্ভর মানছেন উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ ড. মাসরুর রিয়াজ। তিনি বলেন, আমরা যদি আমাদের দাম এবং ডুইং বিজনেস কমাতে পারি এর সঙ্গে ট্রেড কানেকটিভিটি তার ইফিশিয়ানসি খরচ কমাতে পারি তাহলে কিন্তু অন্য জায়গা আমাদের যে খরচটা বেড়ে যাচ্ছে সেটা কিন্তু আমরা সেভ করতে পারব।   

সরকারি অর্থের অপচয়, দুর্নীতি, আর আর্থিক খাতের অনিয়ম অর্থনীতির গতিকে মন্থর করছে বলে জানান প্রাণ আর এফ এল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি  টাকা মানি লন্ডারিং হচ্ছে, সেই অর্থ যদি দেশে বিনিযোগ করা যেত তাহলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতাম।  

উন্নয়নের সূচক পেরোলেই, বন্ধ হয় অনেক সহযোগিতা। তারপরও এগোবে বাংলাদেশ মত বাণিজ্যমন্ত্রীর। আর আত্মবিশ্বাসী অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলছেন, বাংলাদেশ নিয়ে নেতিবাচক সব ধারণাকেই পাল্টে দিয়েছে উন্নয়নের ধারায়।

মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ বাংলাদেশ জিডিপি, মাথাপিছু আয়, রিজার্ভ, রেমিট্যান্সে শুধু রেকর্ডই গড়েনি বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের রোল মডেল আজ।