করুনারত্নের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়েছে লঙ্কানরা

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ফের একবার ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনার ডেন এলগারের সেঞ্চুরি এবং ভ্যান ডার ডুসানের হাফসেঞ্চুরির সুবাদে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩০২ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে লঙ্কানরা করে ১৫০ রান।

ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ব্যাট হাতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। তবে নিজেদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করেন এলগার-ডুসান জুটি।

৯২ রান নিয়ে দিন শুরু করা এলগার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যান দিনের পঞ্চম ওভারে। বিশ্ব ফার্নান্দোকে চার মেরে ১৩৩ বলে ক্যারিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরিতে পা রাখেন তিনি।

পরের ওভারেই আসিথা ফার্নান্দোকে চার মেরে ৯৮ বলে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি করেন আগের দিন ৪০ রান নিয়ে অপরাজিত থাকা ডুসান। ছন্দে থাকা এলগার ১২৭ রান করে নিজের ইনিংস শেষ করেন। এদিকে ডুসেন আউট হন ৬৭ রানে। এরপর আর কোনো ব্যাটসম্যানই বিশের ঘর পার করতে পারেননি। ৮৪ রানে শেষ ৯ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে প্রথম ইনিংসে শেষে ১৪৫ রানে এগিয়ে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। ।

দক্ষিণ আফ্রিকাকে দিনের দ্বিতীয় সেশনে গুটিয়ে দেওয়ার পেছনের মূল কারিগর বিশ্ব ফার্নান্দো ১০১ রানে নেন ৫ উইকেট। লঙ্কান এই পেসার টেস্টে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পেলেন পাঁচ উইকেটের স্বাদ।

বোলিংয়ের সাফল্য মিলিয়ে যেতে বসেছিল ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায়। তৃতীয় ওভারেই প্রথম ইনিংসে একমাত্র ফিফটি করা কুসাল পেরেরাকে হারায় তারা। এরপর অধিনায়ক করুনারত্নে ও লাহিরু থিরিমান্নের মিলে ম্যাচের হাল ধরেন। ৭৩ বলে ২৫তম ফিফটি তুলে নেন করুনারত্নে।

এ দুইজনের ৮৫ রানের জুটি ভাঙেন এনগিডি। ৩১ করা থিরিমান্নে ধরা পড়েন উইকেটের পেছনে ডি ককের হাতে। পরের বলেই কুসল মেন্ডিসকে ফেরান তিনি। অভিষিক্ত মিনোদ ভানুকাকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি আগের ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া নর্তজে।

১০৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলা শ্রীলঙ্কার হাল ধরেন ডিকভেলা ও করুনারত্নে। অবিচ্ছিন্ন ৪১ রানের জুটিতে দিনের বাকি সময় বিপদ ছাড়াই কাটিয়ে দেন তারা। দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫০ রান। লিড নিয়েছে ৫ রান।