তানভিরের ঘূর্ণির পর সাইফদের দারুণ ব্যাটিং

তানভির ইসলামের বাঁহাতি অর্থডক্স স্পিনে কুপোকাত আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল। বল হাতে দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করার পর ব্যাট হাতে দারুণ পারফরম্যান্সে প্রথম দিন শেষ করে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম চার দিনের ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সফরকারীদের দেওয়া ১৫১ রানের জবাবে খেলতে নেমে ১ উইকেটে ৮১ রান নিয়ে প্রথম দিন শেষ করে স্বাগতিকরা।

ব্যাটিং করতে নেমে ঝোড়ো সূচনা করেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। অপর ওপেনার অধিনায়ক সাইফ হাসান দিচ্ছিলেন ধৈর্যের পরীক্ষা, খেলছিলেন ধীরে ধীরে। দুজনের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৫০ রান। তার মধ্যে ৪১ রানই ছিল তানজিদের। মাত্র ৩৯ বলে ৮টি চারের মারে এই রান করেন তিনি। অফ স্পিনার হ্যারি টেকটরের বলে আউট হন হাফসেঞ্চুরি থেকে মাত্র ২ রান দূরে থেকে।

তানজিদ আউট হয়ে গেলে আর কোনো বিপদ ঘটেনি বাংলাদেশের ইনিংসে। আগেই ক্রিজে থাকা সাইফের সঙ্গে দেখেশুনে খেলে দিন শেষ করে আসেন নতুন ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসান জয়। সাইফ ৭২ বলে ২২ ও জয় ২৭ বলে ১৮ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নামে আয়ারল্যান্ডের দলটি ১৫১ রান করে। ১৯ রান করা জেমস ম্যাককলামকে এলবিডাব্লিউ করে ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তানভির। এই ধাক্কা সামলে উঠতে অনেক সময় লেগেছে সফরকারীদের। ৬২ রানের মধ্যে চার উইকেট হারায় আইরিশরা।

পঞ্চম উইকেটে কার্টিস ক্যাম্ফারকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েছিলেন লোরকান টাকার। এই জুটি ভাঙেন সাইফ। টাকারকে ২০ রানে রিশাদ হোসেনের ক্যাচ বানান। ডানহাতি এই স্পিনারের কাছেই উইকেট হারান ইনিংস সেরা পারফরম্যান্স করা ক্যাম্ফার (৩৮)। আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি উলভস। ৪০ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট হারায় তারা।

তানভির ২৩ ওভার বল করেছেন, মেডেন ওভার ৮টি। ৫৫ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। সাইফ ৭ ওভারে ১৫ রান দিয়ে পান ২ উইকেট। পেসার এবাদত হোসেনও সমান সংখ্যক উইকেট নেন। প্রতিপক্ষের আরেকটি উইকেট খালেদ আহমেদের।