দুর্দান্ত বোল্ট-রাহুলে মুম্বাইয়ের দারুণ জয়

আইপিএ্রল

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি আসরের নবম ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে দেড়’শ রান করেও দারুণ জয় পেয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ট্রেন্ট বোল্ট-রাহুল চাহারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জিতলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

শনিবার চেন্নাইয়ের এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে দুই দলের ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ রাত ৮টায়। এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান করে মুম্বাই। টার্গেটে খেলতে নেমে ১৯ ওভার ৪ বলে ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদ। ১৩ রানে জিতে মাঠ ছাড়ে রোহিত শর্মার দল।

অথচ মাত্র ১৫১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে কী দারুণ শুরুই না করেছিল হায়দরাবাদ। ৮ ওভার না পেরোতেই দলটি তুলে ফেলে ৬৭ রান। মাত্র ২২ বলে ৪টি ছয়ে ৪৩ রান করা জনি বেয়ারস্টো আউট হলে ভাঙে ওপেনিং জুটি।

ক্রিজে এসেই সাজঘরে ফেরেন নতুন ব্যাটস্যান মানিশ পান্ডে।  তখনো ক্রিজে ছিলেন ওয়ার্নার। তিনি ২২ বলে ৪৩ রান করে সাজঘরে ফিরে গেলে শুরু হয় আসা-যাওয়ার মিছিল। তবে বিজয় শংকর ক্রিজে থাকায় কিছুটা সম্ভাবনা ছিল। ইনিংসের ৭ বল বাকি থাকতে ২৬ বলে ২৮ করা বিজয় আউট হলে লেখা হয়ে যায় হায়দরাবাদের হারের গল্প।

শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার ৪ বলে ১৩৭ রান করে সবকটি উইকেট হারায় ওয়ার্নারের দল। মুম্বাইয়ের হয়ে ৩ ওভার ৪ বলে ২৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন বোল্ট। আর রাহুল চাহার ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। এ দুজনেই মূলত গুঁড়িয়ে দেন হায়দরাবাদক।

এটা হায়দরাবাদের টানা তৃতীয় হার। অন্যদিকে দেড়’শ করেই টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলো মুম্বাই। এর আগে কলকাতার বিপক্ষে ১৫২ রান করেও মুম্বাই জিতে ১০ রানে।

আরও পড়ুন…মেসির জোড়া গোলে চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে রোহিত-ডি ককের ব্যাটে দারুণ শুরু করেছিল মুম্বাই। ৩৯ বলে ৪০ রান করে রোহিত আউট হলে ৫৫ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। এরপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। গতি কমে যায় রানের চাকার।

থিতু হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি ডি কক। তিনি ২৫ বলে ৩২ রান করে ফেরেন সাজঘরে। ইশান কিষান-সূর্যকুমার যাদবরা ব্যর্থ হলে ম্যাচের হাল ধরেন কিয়েরন পোলার্ড। তার ২২ বলে ৩৫ রানের ঝড়ে শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান করে মুম্বাই। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ১টি চার ও ৩টি ছক্কায়।

হায়দরাবাদের হয়ে দারুণ বোলিং করেন খালিল আহমেদ ও মুজিবুর রহমান। খালিল ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। অন্যদিকে মুজিব ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়েন নেন ২ উইকেট। উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে দারুণ বোলিং করেছেন রশিদ খান।