পাকিস্তানের পাঞ্জাবে করোনার একাধিক ভ্যারিয়েন্ট: গবেষণা

মহামারি করোনাভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করছে পাকিস্তান। এর মাঝেই সম্প্রতি নতুন একটি গবেষণা চালিয়েছে দেশটির প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। সেখানে দেখা যায়, পাঞ্জাব প্রদেশে যুক্তরাজ্যের করোনার ভ্যারিয়েন্টের আধিক্যের পাশাপাশি ভাইরাসটির একাধিক ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। সেগুলোর বিরুদ্ধে লড়ছে প্রদেশটি।

শনিবার (১৫ মে) দ্য ডন পত্রিকার বরাত দিয়ে ডেইলি হান্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গবেষণাটি পরিচালিত করেছে পাঞ্জাব জনস্বাস্থ্য রেফারেন্স ল্যাবরেটরির (পিপিএইচআরএল) একদল ভাইরাস, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ।

দ্য ডন জানিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পিপিএইচআরএল পাকিস্তানে সার্স-কোভিড২ এর ক্রমবর্ধমান প্রভাব কমাতে নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সার স্থাপন করেছিল। যার মাধ্যমে সার্স-কোভিড২ রোগীদের মধ্যে জিন টার্গেট ব্যর্থতা (জিটিএফ) স্ক্রিন করার কৌশল তৈরি করা হয়েছে।

সমীক্ষায় আরো বলা হয়েছে যে, একটি পিসিআর প্যানেলের স্ক্রিনিংয়ে লক্ষ্য করা গেছে, পাঞ্জাবের জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের মধ্যে এস জিন টার্গেট ব্যর্থতা (এসজিটিএফ) রয়েছে। যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাহোর, গুজরাট, ওকারা এবং ঝিলাম থেকে এসেছে। এদের ৯০ শতাংশ রোগীর মাঝে যুক্তরাজ্যের ভ্যারিয়েন্টও পাওয়া গেছে।

ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে, ডি৬১৪জি এর একটি মিউটেশন বন্য-ধরনের সার্স-কোভিড২ এর চেয়ে আরো দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিশ্বাস করা হয় যে, ডি৬১৪জি রূপটি ভাইরাসটির সংক্রমণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে এবং এটি যুক্তরাজ্যের প্রচলিত ধরণ ছিল।