পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান

পুঁজিবাজার

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) সূচকের বড় উত্থানের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বাড়লেও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৫১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩১০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য ২ সূচকের মধ্যে ডিএসইর শরীয়াহ সূচক ১০ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১২০৯ ও ২০২৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৫৫৬ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ডিএসইতে ৪৫ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন ডিএসইতে ৫১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের  ইউনিট লেনদেন হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৩৫৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৬টি কোম্পানি, কমেছে ৯০টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর।

এদিন লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠান হলো-বেক্সিমকো লিমিটেড, বিডি ফাইন্যান্স, রবি, লংকাবাংলা, এশিয়া প্যাসিফিক, লাফার্জহোলসিম, বেক্সিমকো ফার্মা, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স।

আরও পড়ুন…সরবরাহ কম থাকায় চালের দাম বেশি : অর্থমন্ত্রী

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ১৮৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ৩৭৯ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২২৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৪৪টির, কমেছে ৬৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির কোম্পানির শেয়ারের দর।

বৃহস্পতিবার সিএসইতে ১৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি টাকা কম। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ২৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকার।