পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান

করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত লকডাউনের দ্বিতীয় দিন বুধবারও (৭ এপ্রিল) সূচকের বড় উত্থানের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বাড়লেও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে। এই নিয়ে টানা তিন কার্যদিবস সূচকের বড় উত্থান হয় পুঁজিবাজারে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ৩৩৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইর শরীয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২২ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১২১৪ ও ২০১১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

বুধবার ডিএসইতে ৫৮২ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ডিএসইতে ৭৪ কোটি টাকার লেনদেন বেড়েছে। আগের দিন ডিএসইতে ৫০৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।

বুধবার ডিএসইতে ৩৪৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯৯টি কোম্পানি কমেছে ৪৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর।

বুধবার লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠান হলো-বেক্সিমকো লিমিটেড, রবি, এশিয়া প্যাসিফিক, লংকাবাংলা, বেক্সিমকো ফার্মা, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জহোলসিম, আইএফআইসি ও বিএটিবিসি।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ১৭৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ৪৩৪ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২১৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৪০টির, কমেছে ২৫টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৯টির কোম্পানির শেয়ার দর।

বুধবার সিএসইতে ৩০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ১২০ কোটি টাকা কম। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১৫০ কোটি ৮৯ লাখ টাকার।