পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান

করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে সূচকের বড় উত্থানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও অপর শেয়ার বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১০৩ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ২৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইর শরীয়াহ সূচক ২১ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১২০৪ ও ১৯৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে ৫০৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ডিএসইতে ২৭২ কোটি টাকার লেনদেন বেড়েছে। আগের দিন ডিএসইতে ২৩৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।

মঙ্গলবার ডিএসইতে ৩৪৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪০টি কোম্পানির, কমেছে ১৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর।

লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠান হলো-বেক্সিমকো লিমিটেড, রবি, এশিয়া প্যাসিফিক, লংকাবাংলা, বেক্সিমকো ফার্মা, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, সামিট পাওয়ার, লাফার্জহোলসিম ও দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২৯৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ২৬১ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৪৬টির, কমেছে ১২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির কোম্পানির শেয়ার দর।

সিএসইতে ১৫০ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৪ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১৬ কোটি ২ লাখ টাকার।