বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্লেয়ার্স ড্রাফট বৃহস্পতিবার

একদিন পিছিয়ে আগামী ১২ নভেম্বর বসতে চলেছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের প্লেয়ার্স ড্রাফট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ টুর্নামেন্টের নামকরণ করা হয়েছে। নতুন তারিখ অনুযায়ী আগামী ২১ অথবা ২২ নভেম্বর মাঠে গড়াতে পারে প্রথম ম্যাচ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে করোনা পরবর্তী সময়ে আবার ফিরছে ঘরোয়া ক্রিকেট।

পাঁচ দলের টি-টোয়েন্টির জন্য চাওয়া হয়েছিল স্পন্সর। বিসিবির ডাকে সাড়া দিয়েছে পাঁচটি গ্রুপ। পাঁচটি দল হচ্ছে, ফরচুন বরিশাল, বেক্সিমকো ঢাকা, মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী, জেমকন খুলনা ও গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।

ড্রাফট নিয়ে বিসিবির পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ১৬০ খেলোয়াড়ের নাম আমরা ড্রাফটে তুলেছি। খেলোয়াড়দের ফিটনেস টেস্ট আছে ৯ ও ১০ তারিখ। সেটা চূড়ান্ত হলে ড্রাফট লিস্টও ফাইনাল হবে।

বৃহস্পতিবার হোটেল লা মেরিডিয়ানে দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ টুর্নামেন্ট দিয়ে ড্রাফট থেকে পাঁচ দল ১৬ জন করে খেলোয়াড় নিতে পারবে। এ গ্রেড থেকে নেয়া যাবে এক খেলোয়াড়। বি গ্রেড থেকে চারজন। সি ও ডি থেকে যথাক্রমে পাঁচ ও ছয় জন খেলোয়াড় নেওয়া যাবে। চারটি গ্রেডিংয়ে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্যাটাগরিতে আইকন ক্রিকেটাররা থাকবেন। এছাড়া বি, সি ও ডি ক্যাটাগরিতে থাকবেন অন্যান্যরা। জানা গেছে, যুব বিশ্বকাপজয়ীদের রাখা হচ্ছে সি ক্যাটাগরিতে। পারিশ্রমিক নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেননি আকরাম খান। তিনি ধারণা দিয়েছেন, হয়তো ১৫ লাখ থেকে কম-বেশি হবে যারা এ গ্রেডে আছে। যারা ডি ক্যাটাগরিতে আছে তাদের পাঁচ বা চার লাখ টাকা।

অক্টোবরের শেষে আইসিসির দেয়া এক বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে সাকিব আল হাসানের। বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ দিয়ে ক্রিকেটে ফিরছেন বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার।

সাকিব বড় খেলোয়াড়। হয়তো সে সঙ্গে ছিল না, কিন্তু যে লেভেলের প্লেয়ার, ফিটনেসটা আমার মনে হয় না ওর কাছে সমস্যা হবে। তবে ফিটনেসের একটা স্ট্যান্ডার্ড তো আছে। সে স্ট্যান্ডার্ডে তো সবাইকে কন্টিনিউ করতে হবে। যোগ করেন আকরাম।