বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে নতুন রেকর্ড

বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৪০০ কোটি (৪৪ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়েছে। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভের পরিমাণ ৪৪ দশমিক ০২৮ বিলিয়ন (৪ হাজার ৪০২ কোটি) ডলারে উন্নীত হয়েছে। যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের সঙ্গে রফতানি আয় বেড়েছে। যে কারণে রির্জাভের পরিমাণ ৪৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।  

গত ৩০ ডিসেম্বর দেশের রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর তা ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে। তবে রেমিটেন্সে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকায় এক মাস না যেতেই রিজার্ভ আবার ৪৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করল।

বর্তমানে যে পরিমাণ বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ আছে সেটি দিয়ে দেশের ১১ মাসেরও বেশি আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা সম্ভব বলে মনে করছেন ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছে, যা গত বছরের (২০২০) জানুয়ারির চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ পর্যন্ত ১৪৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি।