ব্রণের হাত থেকে কীভাবে বাঁচবেন

ব্রণ নিয়ে চিন্তিত? ব্রণ হবার একটি অন্যতম কারণ হল অপরিষ্কার ত্বক। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে। শুধু মুখে নয়, শরীরের অন্যান্য অংশেও হতে পারে। তাই স্ক্রাবিং পুরো দেহের জন্যই প্রযোজ্য। কিন্তু প্রাকৃতিক উপায়েও এই ধরনের সমস্যা দূর করা যায়।

নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ওপর খেয়াল রাখলে আপনার ত্বক সুস্থ থাকবে। আর ত্বক সুস্থ থাকার অর্থই হল ব্রণের পরিমাণ কমে যাওয়া বা তুলনামূলক কম ব্রণ হওয়া।

• আপনার ত্বকের বাইরের স্তরের ময়লা থেকে মুক্তি পেতে আপনাকে অবশ্যই আপনার মুখ ভালভাবে পরিষ্কার করতে হবে। খুব হালকা ফেস ওয়াশ ব্যবহার করুন এবং দিনে দুবার মুখ ধুয়ে নিন। আপনার মুখ পরিষ্কার এবং ময়লা মুক্ত রাখলে আপনার মুখের মসৃণতা বজায় থাকবে যা পক্ষান্তরে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেবে।

• সব সময় হাইড্রেটেড থাকুন। যতটা সম্ভব পানি এবং তরল পান করুন যাতে আপনার ত্বকও হাইড্রেটেড থাকে। আপনার দৈনন্দিন রুটিনে সবুজ চা অন্তর্ভুক্ত করুন কারণ এটি শরীরের ভিতরে নির্দিষ্ট কাজ করে এবং আপনার মুখের ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এটি একটি ম্যাজিক পশন যা শরীরের ভিতরে সুন্দরভাবে কাজ করে।

• পাকা পেঁপে চটকে নিন (এক কাপের মতো)। এর সঙ্গে মেশান এক চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন মতো চালের গুঁড়ো। মিশ্রণটি মুখ-সহ গোটা শরীরে লাগান। ২০-২৫ মিনিট মাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন ঘৃতকুমারীর রস।

• লবঙ্গ মূলত মসলা হিসেবে পরিচিত হলেও ব্রণ সারাতে এটি খুবই কার্যকর। লবঙ্গের তেল দিয়ে ত্বক মাসাজ করা খুবই উপকারী। ত্বকে ব্রণের সংক্রমণ বেড়ে গেলে লবঙ্গ গুঁড়ো করে তাতে গোলাপ জল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ব্রণের জায়গাগুলোতে মিশ্রণের মোটা প্রলেপ দিন। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

• ধনেপাতাও ব্রণ সারাতে খুবই কার্যকর। ধনেপাতা বেটে তাতে কয়েক চিমটি হলুদ গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ২০-২৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

• টক স্বাদের কদবেল খেতে অনেকেই ভালবাসেন। কাঁচা কদবেলের রস ব্রণের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা কদবেলের রস তুলাতে ভিজিয়ে ব্রণ আক্রান্ত জায়গাগুলোতে লাগান। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

• নিমপাতা খুব ভাল জীবাণুনাশক। তাই ব্রণ সারাতে নিমপাতা খুবই উপকারী। নিমপাতা বেটে সঙ্গে চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।