মাদকাসক্ত ডলফিন!

ভাবছেন মানুষের মতো ডলফিন আবার কিভাবে নেশা করতে পারে। হ্যাঁ একেবারে মানুষের মতোই নেশা করতে পারে তারা। ২০১৩ সালে এক ফুটেজের পর্যালোচনা এবং বিশ্লেষণের সময়েই তাদের এই স্বভাব ধরা পড়ে ক্যামেরায়।

‘পাফারফিস’ নামক একটি প্রজাতির মাছের দেহে হালকা কামড় বসিয়ে সমুদ্রের মধ্যে বিচরণ করছে ডলফিন। তবে সেটাও আবার খুব বেশিক্ষণের জন্যে নয়। মিনিটখানেক পরই দলের অন্য সদস্যের মুখে তারা তুলে দিচ্ছে সেই মাছটি।

বিষাক্ত প্রজাতি ‘পাফারফিস’-এর মাছ আত্মরক্ষার জন্য দেহত্বক থেকে নিঃসরণ করে থেকে একটি ভয়ঙ্কর ধরণের বিষ। ‘টেট্রোডটক্সিন’ নামক সেই বিষ মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই মৃত্যুর কারণ হতে পারে। মূলত পাফারফিস মাছ থেকেই টেট্রোডটক্সিন গ্রহণ করছিল ডলফিন গুলো।

তবে সামান্য এই ‘মাদক সেবন’-এ তাদের নিজেদের একটুখানি ভুল হলেও তা ডেকে আনতে পারে তাদের নিজেদেরই মৃত্যু। তাই সচেতনভাবেই হালকা কামড় দিয়েই ডলফিনরা ধরে থাকে এই মাছকে। ফলে সম্পূর্ণ বিষ প্রবেশ করে না শরীরে।

পাফারফিসে কামড় বসানোর কিছুক্ষণ পর থেকেই আবার ওই ডলফিনের মধ্যে অদ্ভুত আচরণের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছিলো। উদ্দেশ্যহীনভাবেই সমুদ্রে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে তারা আবার নিজেদের মধ্যেই লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ছিল।

জানা গেছে যে আবার এই ‘ট্রান্স’-পর্যায়ে যাওয়ার জন্য নাকি রীতিমতো আসক্ত হয়ে পড়ে ওই ডলফিনগুলি। সেই কারণেই ওই বিশেষ ডলফিনগুলি আবার ওই পাফারফিস খুঁজে বেড়াতে থাকে সমুদ্রের তলদেশে।