মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে এমপি-মন্ত্রীরা লুটপাটে ব্যস্ত: রিজভী

শীতে হাজার হাজার মানুষ কষ্ট পেলেও তাদের পাশে না দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীরা লুটপাটে ব্যস্ত আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, এই সরকার শীতার্ত মানুষের জন্য কিছুই করেনি। তারা ঘরের মধ্যে বন্দি হয়ে আছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের ঘর থেকে বের হন না। প্রধানমন্ত্রী মানুষের প্রতি দরদ থাকলে বের হয়ে দেখতেন মানুষ কত কষ্টে আছেন। মানুষ কিভাবে হাসপাতলে বেড পায় না, অক্সিজেন পায় না, ধুঁকতে ধুঁকতে মারা যাচ্ছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর রায়সাবাজার মোড়ে ছাত্রদলের সহসভাপতি ওমর ফারুক কাউসারের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘মানুষের জীবন নিয়ে সরকার ছিনিমিনি খেলছে‌। এই সরকার মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না। হাজার হাজার মানুষ শীতে কষ্ট পাচ্ছে। কোথায় আওয়ামী লীগের এমপি মন্ত্রীরা। তারা সাধারণ মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে লুটপাটে ব্যস্ত।

বিএনপির এই নেতা বলেন, করোনা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য সরকার টিকা দেয়ার কথা বলছে। এই টিকায় মানুষ বাঁচবে কি বাঁচবে না তা নিশ্চিত নয়। আমরা আগেই বলেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আগে নিন কিন্তু তারা কেউ নেননি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে বলা হয়েছে ভারতের এই টিকা বাংলাদেশ টেস্ট করার জন্য দেওয়া হয়েছে। এই টিকা দেওয়ার পর মানুষ বাঁচে না মারা যায় তা দেখার জন্য। এই টিকা শুরু করেছে একজন নার্সকে দিয়ে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে এই কাজটি করা হয়নি। আমেরিকায় টিকা নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট প্রথম টিকা নিয়েছেন। এই কারণে এদেরকে দৃষ্টান্ত করে দেখে মানুষ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, এই সরকার নির্বাচনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আপনি ভোট দিতে যাবেন, আপনার ভোটার আইডি কার্ড আছে কিন্তু আপনি গিয়ে দেখবেন আপনার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। একটি ইভিএম মেশিন তৈরি করেছে ভোট চুরি করার জন্য। যে লোক দিনের ভোট রাতে করে, মানুষকে ভোট দিতে দেয় না, নির্বাচনকে ধ্বংস করে দিয়েছে নিজেদের লোক দিয়ে নির্বাচন কমিশন তৈরি করে নিজেদের লোকদের বিজয়ী করছে। তিনি ইভিএম মেশিন দিয়েছেন যাতে এই মেশিন দিয়ে জালিয়াতি করা যায়। এই জালিয়াতির মেশিন অর্থাৎ আপনি ধানের শীষে চাপ দিবেন নৌকা চলে যাবে। নিশিরাতের এই সরকার কারসাজি ও জালিয়াতি ও ধোঁকাবাজি সরকার।

এ সময় ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকসহ স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।