মুকিদুলে মুগ্ধ রংপুর, তুষারের সেঞ্চুরি

জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে আজ বল হাতে রংপুর বিভাগকে চালকের আসনে বসিয়েছেন পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানসহ মোট ৬টি উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে প্রায় একাই ধসিয়ে দিয়েছেন মুকিদুল। তবে তুষারের শতকে ২২১ রানে পৌঁছতে সক্ষম হয় খুলনা। 

মুগ্ধ তার বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন দিনের শুরুতেই। খুলনার দুই টপ অর্ডারকে ফিরিয়েছেন রানের খাতা খোলার আগেই। তবে ১৯ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর খুলনার হয়ে প্রতিরোধ গড়েছেন তুষার ইমরান আর কাজী নুরুল হাসান সোহান।

৭৪ রানের জুটি গড়ে দলীয় ৯৩ রানে নবিন ইসলামের শিকার হয়ে ফেরার আগে ৩১ রান আসে অধিনায়ক সোহানের ব্যাট থেকে। এরপর নাহিদুল ইসলামকে সঙ্গী করে আরও একটি পঞ্চাশোর্ধ (৬৩) রানের জুটি গড়ে দলকে লজ্জা থেকে উদ্ধার করেন দলের সিনিয়র ক্যাম্পেইনার তুষার ইমরান। আরিফুলের শিকার হয়ে ফেরার আগে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন নাহিদুল।

এরপর দ্রুততার সাথে উইকেট হারাতে থাকা খুলনার স্কোর দুইশ পার হয় অভিজ্ঞ তুষারের অনবদ্য লড়াকু শতকে। মুকিদুলের চতুর্থ শিকার হয়ে ফেরার আগে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১১৬ রান। তাঁর ১৩৬ বলের এই ওয়ান ম্যান শোতে ছিলো ২১টি দুর্দান্ত চারের মার। 

পরে শেষ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে জাতীয় ক্রিকেট লিগে নিজের প্রথম পঞ্চম বা তার বেশি উইকেট শিকার করার গৌরব অর্জন করেন মুকিদুল মুগ্ধ। এছাড়া দুটি করে উইকেট লাভ করেন নবিন ইসলাম ও আরিফুল হক।

জবাব দিতে নেমে শুরুর বিপর্জয়ে পড়ে রংপুরও। খুলনার বোলারদের বোলিং তোপে মাত্র ১২ রানেই প্রথম উইকেট হারানো মুগ্ধের দল ৫২ রানে দ্বিতীয় ও ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়েছে। এসময়ে ওপেনার নবিন ইসলাম (০), সোহরাওয়ার্দী শুভ ১৫ ও আরেক ওপেনার জাহিদ জাভেদ ৩২ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন। খুলনার পক্ষে মাসুম খান, জিয়াউর রহমান ও আব্দুল হালিম একটি করে উইকেট তুলে নেন।

শেষ পর্যন্ত আজ প্রথম দিন শেষে রংপুরের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০৩ রান। তানবীর হায়দার ২৯ রানে এবং নাসির হোসাইন ১৯ রানে ক্রিজে আছেন।