মেয়েদের ত্রিশের আগে ওজন বাড়ার যত কারণ

করোনাকালে দিনের পর দিন বাড়িতে থাকতে থাকতে অনেকে ছেলেমেয়েদের ওজন বেড়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে ত্রিশের আগে মেয়েদের ওজন বাড়ার প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। কোভিডের কারণে জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। এমনকি বদলে গেছে প্রতিদিনের খাওয়াদওয়ার অভ্যাসও। ছিপছিপে মেদহীন শরীর তৈরি করতে সময়ের মেদ সময় থাকতেই ঝরিয়ে ফেলতে হবে। কিন্তু তার আগে জানতে হবে কেন ত্রিশের আগে মেদ বাড়ছে মেয়েদের।

সকালের নাস্তা ঠিক সময়ে না করা

জীবনযাপনে যে পরিবর্তনগুলো এসেছে কোভিডের সময়ে তার মধ্যে অন্যতম হলো অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুময়ে থাকা। এবং সকালের নাস্তা দেরি করে খাওয়া।অনকে তো সকালের খাবার দুপুরে খেয়ে থাকেন। এর আবার আলাদা করে ব্রাঞ্চ নামও দেওয়া হয়েছে। যদি নিয়মিত এই অভ্যাস বজায় রাখেন, তা হলে কিন্তু মোটা হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

অতিরিক্ত তেল মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া

বাড়িতে থাকার জন্য অনেকে মজার মজার খাবার খাচ্ছেন। আবার নাস্তা হিসাবে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে বিকাল ও সন্ধ্যায়। মেদ যদি বাড়াতে না চান, তাহলে গরু-খাসির রেজালা, পোলাও, বিরিয়ানি, কাবাব এসব থেকে দূরে থাকুন। পাশপাশি চানাচুর, চাউমিন, সিঙ্গারা, পেঁয়াজি , ছোলা ভুনা খাওয়া থেকেও বিরত থাকুন। একদিকে শারিরিক পরিশ্রম কমছে করোনাকালে, তাই এসব খাবার খেলে ওজন কিন্তু বাড়তেই থাকবে।

হাঁটছেন কম, অ্যাকটিভ থাকুন

অতিমারির ফলে বাইরে কম বের হতে হচ্ছে। কমেছে হাঁটাহাঁটির অভ্যাসও। প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করার পাশাপাশি অ্যাকটিভ থাকার চেষ্টা করুন, প্রাণবন্ত থাকুন। লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। ঘরের কাজ করুন। ফোনে কথা বলার সময় বসে না থেকে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করুন।

রাত জাগা বদভ্যাস

অকারণে রাত জাগা তরুণের সংখ্যা দিনকে দিন বাড়ছে। অতিরিক্ত রাতজাগার কারণে শরীরে নানা রকম প্রভাব পড়তে পারে।এতে করে ক্ষুধামান্দ্য, বিষণ্নতা, স্নায়ুবৈকল্য ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে বেলা করে ঘুমোনো, বেশির ভাগই কিন্তু এই রুটিনটাতেই অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে কোভিডের সময়ে। ফলে রাতের খাবার খেতেও দেরি হচ্ছে। গবেষণা বলছে, রাতের খাবার দেরি করে খেলে ও গভীর রাত পর্যন্ত জাগলে ওজন বেড়ে যায়।

ওজন বাড়ার জন্য হরমোনের সমস্যা থাকতে পারে। অনেকেরই হয়তো দেখা যাবে এক বছরের মধ্যেই খুব বেশি ওজন বেড়ে গিয়েছে। খাবারদাবার নিয়ন্ত্রণ করেও সমস্যা কমছে না। সেক্ষেত্রে হতেই পারে হরমোনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এরকম মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।