যে কারণে দলে পাঁচ পেসার

সাধারণত ঘরের মাঠে স্পিন সহায়ক উইকেট হওয়ায় পেসারদের আধিপত্য কমই থাকে। এবার উল্টোটা হয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট দলে জায়গা পেয়েছেন পাঁচজন পেসার। অনেকদিন পর দীর্ঘ সংস্করণে টানা খেলতে গিয়ে ক্রিকেটাররা চোটে পড়তে পারেন বলেই দলে এতজন পেসার নেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে বিসিবি একাদশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যেকার প্রস্তুতি ম্যাচ চলাকালীন টেস্ট দলে পাঁচ পেসার রাখা প্রসঙ্গে এমনটাই জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

এ ব্যাপারে নান্নু বলেন, ‘দলে পাঁচজন পেসার রাখা হয়েছে, কারণ অনেক দিন পর আমরা টেস্ট খেলছি, যেকোনো সময় যে কেউ ইনজুরিতে পড়তে পারে। পাঁচ দিনের টেস্ট শেষে আপনি বলতে পারেন না যে তাদের স্ট্যামিনা একই রকম থাকবে। সে হিসেবে তাদের ফিটনেস লেভেলের কথা চিন্তা করে আমরা এতজন পেসার রেখেছি। আশা করি, সবার ফিটনেস লেভেল ভালো অবস্থায় আছে এবং দুটো টেস্টেই তাদের ভালো অবস্থানে পাব।’

প্রধান নির্বাচক আরো বলেন, ‘দলের মধ্যে স্পিনার, পেস বোলার সবাইকেই প্রস্তুত রাখতে হয়। কারণ আমরা যখন পুল তৈরি করি, তখন শুধু একটা টেস্ট ম্যাচ মাথায় রেখে করা হয় না। সামনের কথা ভেবে, বিদেশের মাটিতে খেলার বিষয় মাথায় রাখা হয়। দেশের মাটিতে স্পিনারই আমরা বেশি খেলাই। কম্বিনেশনটা যেন ঠিক থাকে, বোলারদের স্ট্যান্ডার্ড যেন ঠিক থাকে, সেভাবেই ভারসাম্য রাখা হয়। যারা খেলবে না তারা যেন, একটা সিস্টেমে থাকে, টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কাজ করে অভ্যস্ত হয়ে যায়। যেন নিজেদের আরো উন্নতি করতে পারে এবং খেলার জন্য প্রস্তুত হতে পারে। এটা মাথায় রেখেই স্কোয়াডটা বড় করা হয়েছে।’

চট্টগ্রামে প্রথম টেস্ট শুরু হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। আর দ্বিতীয় টেস্ট হবে ঢাকায়। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের বাংলাদেশ টেস্ট দল : মুমিনুল হক (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুন, ইয়াসির আলী, সাইফ হাসান, আবু জায়েদ, হাসান মাহমুদ, নাঈম হাসান ও ইবাদত হোসেন।