শেখ রেহানার নেতৃত্বে সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় করার দাবি ডা. জাফরুল্লাহর

দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন, নিপীড়ন ও হামলা বন্ধে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানার নেতৃত্বে সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় করার দাবি জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) দুপুরে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে সুনামগঞ্জের শাল্লায় হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে দুষ্কৃতকারীদের বিচারের দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, সুনামগঞ্জে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করতে হবে। এতে একজন বিচারপতি থাকবেন, একজন সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ থাকবেন, তৃতীয়জন হচ্ছেন আমাদের সাবেক সেনা অধ্যক্ষ এম এ করিম। এই তিন সদস্যের কমিটিকে সাত দিন সময় দেওয়া হোক, তদন্তের পর তারা যা সুপারিশ করবেন, তা পরিপূর্ণভাবে কার্যকর করতে হবে। যেন ভবিষ্যতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর আর কোনো আঘাত না আসে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলায় যেসব মসজিদের মাইক ব্যবহার হবে, সেই সব মসজিদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে সেই সাথে এর সব অনুদান এবং সেই মসজিদই বন্ধ করতে কঠিনভাবে সুপারিশ করছি।

তিনি বলেন, আমি তৃতীয় আরেকটি প্রস্তাব উল্লেখ করতে চাই, শাল্লায় যে ঘটনা ঘটেছে তা প্রধানমন্ত্রীর জন্য অত্যন্ত লজ্জার। উনি অন্য কাজ নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত যে এসব ঘটনা চোখে পড়ে না। তাই আমাদের একটি সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় করতে হবে এবং সেই সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মুজিবকন্যা শেখ রেহানাকে দিতে হবে। তাহলে সেটা আওয়ামী লীগের জন্য ভবিষ্যতে সুবিধা হবে। শেখ রেহানার বয়সও কম, তাই তিনি সারা বাংলাদেশে দৌড়ে কাজ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ধর্মের নামে কোনো অধর্ম চলতে পারে না। আমার ভাইকে মারার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তাই এ বিষয়ে পরিষ্কারভাবে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অনতিবিলম্বে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে বাড়ি করে দিতে হবে।