স্বামীর ‘বিশেষ অঙ্গ’ কেটে হাসপাতালে ফেলে পালালেন স্ত্রী

পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর পুরুষাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে ফেলেছে স্ত্রী। পরে আহত স্বামীকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পালিয়ে যান ওই নারী। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সকালে বাবার বাড়িতেই এই কাণ্ড ঘটান স্ত্রী।

আহত ব্যক্তি নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা। কয়েক মাস আগে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের ফয়েন উদ্দিনের মেয়ে খদেজা খাতুনের (২৭) সঙ্গে বিয়ে হয় তার। 

চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মৌসুমী ইসলাম বলেন, গুরুতর অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার পুরুষাঙ্গ পুরোপুরি কাটেনি, তবে প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল। ব্যক্তির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনার কিছুক্ষণ পর থেকেই তার স্ত্রীকে আর হাসপাতালে দেখা যায় নি। 

আহত ব্যক্তি জানান, বিয়ের পর স্ত্রী বাবার বাড়িতেই থাকেন। মাঝে মাঝে স্ত্রীকে দেখতে শ্বশুর বাড়িতে আসতেন তিনি। এই বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে শুক্রবার ভোরে দু’জনের ঝগড়া শুরু হয়। পরে তিনি ঘুমিয়ে পড়লে খদেজা পুরুষাঙ্গে ব্লেড চালিয়ে দেন। রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে সেখানকার বারান্দায় ফেলে পালিয়ে যান।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, খবরটি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ববস্থা নেওয়া হবে।