স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জানুয়ারি থেকে বলে আসছিলাম বেপরোয়া চলাচল না করার জন্য। কিন্তু মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে ড্যামকেয়ার ভাব দেখা দিয়েছিল—বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।

আজ রোববার বিকেলে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে  করোনাভাইরাস জনিত রোগ কোভিড ১৯-এর বিস্তার রোধে শর্ত সাপেক্ষে সার্বিক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ওপর আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিনোদনকেন্দ্র, সমুদ্রসৈকত, সামাজিক অনুষ্ঠান, বিয়েশাদি ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় দেশে আজ করোনা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। আমরা আগে ভালো ছিলাম, এখন খারাপ অবস্থায় আছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাসজনিত রোগ বিস্তার রোধে শর্ত সাপেক্ষে ১৮টি নিদের্শনা দিয়েছেন। এই নির্দেশনা সবাইকে মানতে হবে। নির্দেশনা শিথিল করার কোনো সুযোগ নেই। জনগণকে নির্দেশনা মানানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাজ করতে হবে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করলে আমরা আবারও করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসতে পারব। এ ছাড়া যারা করোনা পজিটিভ হবে, তাদের বাড়িতে লাল পতাকা উড়াতে হবে এবং হোম কোয়ারেন্টিন করতে হবে।

জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌসের সভাপতিত্বে করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে ১৮ নির্দেশনার ওপর আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মহীউদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান, ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, কাউন্সিলর তছলিম হৃদয়, শহর বণিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্টু, বস্ত্র মালিক সমিতির অনুপ সাহা, মাইক্রোবাস সমিতির সভাপতি মাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।