স্মৃতিবিজড়িত স্টেডিয়ামে বাদল রায়কে শেষ শ্রদ্ধা

শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ফুটবলার বাদল রায়কে নেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। আজ সোমবার দুপুরে তাঁকে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত রয়েছেন বাদল রায়ের ভক্ত ও সতীর্থসহ কর্মকর্তারা।

এর আগে বাদল রায়কে বিদায় জানাতে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে নিয়ে যাওয়া হয়। জীবনের অনেক স্মৃতি জড়ানো মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে তাঁকে শেষবারের মতো নেওয়া হলে এক আবেগতাড়িত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

গতকাল রোববার রাজধানীর একটি হাসপাতালে বাদল রায় মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। স্ত্রী, এক ছেলে ও মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি। 

গত ৫ নভেম্বর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বাদল রায়কে। অবস্থার অবনতি হলে পরে নিয়ে যাওয়া হয় স্কয়ার হাসপাতালে। সেখানেই তাঁর ক্যানসার ধরা পড়ে। পরে নিয়ে যাওয়া হয় বাংলাদেশ মেডিকেলে, সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। 

এর আগে ২০১৭ সালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে অনেকদিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল বাদল রায়কে। পরে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করানোর পর সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন মোহামেডানের এই কিংবদন্তি ফুটবলার।

আশির দশকে ঢাকার ফুটবলে অনেক বড় তারকা ছিলেন বাদল রায়। জাতীয় দল ও মোহামেডানকে অনেক সাফল্য এনে দিয়েছেন তিনি। মোহামেডানের ম্যানেজারও ছিলেন তিনি। 

শুধু খেলোয়াড় হিসেবেই নয় কর্মকর্তা হিসেবেও যথেষ্ট সফল ছিলেন বাদল রায়। তিন মেয়াদে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি ছিলেন। এর আগেও বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার।

রাজনীতির মাঠেও সক্রিয় ছিলেন বাদল রায়। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সাবেক ফুটবলার ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেছিলেন। যদিও তখন হেরে গিয়েছিলেন।