১৫ মিনিটেই সূচক নেই ৮৭ পয়েন্ট

শেয়ারবাজার

আগের কার্যদিবসের মতো রোববারও দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরুতে বড় দরপতন দেখা দিয়েছে। মাত্র ১৫ মিনিটের লেনদেনেই প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ৮৭ পয়েন্ট কমে গেছে।

এর আগে, গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৬৬ কোম্পানির শেয়ার দামের সর্বনিম্ন সীমা বা ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে নেয়।

এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাবে শেয়ারবাজারে বড় দরপতন দেখা দেয়। এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ৮২ পয়েন্ট পড়ে যায়।

শেয়ারবাজারে বড় পতন দেখা দেয়ায় একদিন পরেই ফ্লোর প্রাইস উঠিয়ে নেয়া ৬৬ কোম্পানির বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দেয় বিএসইসি। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এই ৬৬ কোম্পানির শেয়ার দাম একদিনে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ কমতে পারবে। বিপরীতে দাম বাড়তে পারবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ।

আরও পড়ুন…সর্বাত্মক লকডাউনে ব্যাংক খোলা থাকলে শেয়ারবাজারও খোলা

তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই সিদ্ধান্তও পতন আটকাতে পারেনি। রোববার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয় প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের দরপতনের মধ্য দিয়ে। ফলে প্রথম মিনিটের লেনদেনেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স-এ ৮ পয়েন্ট পড়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সূচকের পতন প্রবণতা বাড়ে। এতে ১৫ মিনিটেই সূচকটি ৮৭ পয়েন্ট কমে যায়।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০টা ২৮ মিনিটের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭৫ পয়েন্টে কমেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ১৯ পয়েন্ট কমেছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৩২ পয়েন্ট।

এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯৫টির। আর ৩৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১২৫ কোটি ৪৫ টাকা।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২৭ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেয়া ৮৫ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬টির, কমেছে ৫৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির।