৫ গোলের রোমাঞ্চে ঠাসা ম্যাচে হেরে বিদায় নিল বার্সা

ঢাকা: গোলের খেলা ফুটবল। মাঠের কৌশল, পাস, ট্যাকল যতই ছন্দময় হোক, গোল না হলে গোটা ম্যাচটাই পানসে হয়ে যায়। আর গোল হলে তা হয় রোমাঞ্চে ঠাসা।

বৃহস্পতিবার এস্তাদিও সান মামেসে রোমাঞ্চে ঠাসা তেমনই এক ম্যাচ দেখলেন ফুটবলপ্রেমীরা। ৫ গোলের থ্রিলারে শেষ হাসি ফুটল অ্যাথলেটিক বিলবাও। 

১২০ মিনিটের শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ৩-২ গোলে হেরে কোপা দেল রের শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিল বার্সেলোনা। 

ম্যাচজুড়েই ছিল আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের লড়াই। হেরে গেলেও বলদখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল বার্সেলোনা। 

তবে বিলবাওয়ের দেয়াল চিড়ে আক্রমণে সুবিধা করতে পারেননি জাভির শিষ্যরা।

গোলের উদ্দেশ্যে মাত্র ৭ শট নিতে পেরেছে বার্সা। যার তিনটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীত দিকে বিলবাও ১৯টি শট নেয়, যার সাতটি ছিল লক্ষ্যে। 

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় বিলবাও। ডান পাশ থেকে জর্দি আলবাকে পরাস্ত করে বক্সে পাস বাড়ান নিকো উইলিয়ামস। বক্সের ডান পাশে বলটা পেয়ে দুর্দান্ত এক কোনাকুনি শটে বার্সা রক্ষণকে পরাস্ত করেন ইকার মুনিয়াইন। 

২০ মিনিটে বার্সাকে সমতায় ফেরান তরেস। বক্সে বল পেয়ে ডান পায়ের বাঁকানো এক শটে পান বার্সার জার্সি গায়ে প্রথম গোলের দেখা।

১-১ গোলে বিরতিতে যায় দুদল। 

বিরতির পর বিলবাওয়ের উইঙ্গাররা বার্সা রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে। লড়াই চালিয়ে যান বার্সা গোলরক্ষক স্টেগেন। ৮৫ মিনিটে হার মানেন জার্মান গোলরক্ষক। বিলবাওয়ের ফ্রি কিক থেকে আলেহান্দ্রো রামিরোর হেডার স্টেগেনের কোমরে লাগে। তবে বল ইনিগো মার্টিনেজের পায়ে লেগে জড়ায় বার্সার জালে।

২-১ গোলে পিছিয়ে থাকা বার্সাকে যোগ করা সময়ে ফের সমতায় ফেরান পেদ্রি গনজালেস।

বক্সের ডান পাশ থেকে দানি আলভেস দারুণ এক ওভারহেড কিকে পাওয়া বলে আগুনে শট নেন গনজালেস। তা জড়ায় বিলবাওয়ের জালে। ২-২ সমতায় ম্যাচটা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

১০৫ মিনিটে বার্সার ডি-বক্সে নিকো উইলিয়ামসের শটে হাত লাগিয়ে বসেন জর্দি আলবা। ভিএআর দেখে এসে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল করেন মুনিয়াইন।

৩-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফেরে বিলবাও।  লা লিগার রেকর্ড ৩১ বারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার বিদায় দেখলেন ফুটবলপ্রেমীরা।

প্রভাতনিউজ/এনজে