করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও জুম্মা ও তারাবী নামাজ নিয়ে কোনও নির্দেশনা দেয়া হয়নি। বলা হয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বেশকিছু বিধি-নিষেধগুলো জারি করা হয়েছে। তার মধ্যে ‘ঠ’ ধারায় বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুম্মা ও তারাবী নামাজের জমায়েত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।
এদিকে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনও ভাবেই বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনও ভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড দেখিয়ে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।
প্রজ্ঞাপনে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।
আরও পড়ুন…১৪ থেকে ২১ এপ্রিল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ, চলাচলে বিধিনিষেধ
এছাড়া সব পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না।
সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।





