আমাদের সবার আহ্বান চলচ্চিত্রের হারানো গৌরব আবার ফিরিয়ে আনা। সেই লক্ষে আমরা কাজ করব। শিল্পী সমিতি নিয়ে যেভাবে মাতামাতি হচ্ছে এমনটা যদি চলচ্চিত্র নিয়ে হতো তাহলে এতদিনে চলচ্চিত্রের অবস্থা ভালো হয়ে যেত। কাজ নেই বলেই বিভক্তি হচ্ছে। কাজ নাই, তাই খই ভাজছে শিল্পীরা। এবার কাজের কথা হবে।
গত মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বৈঠকে মিলিত হয়েছিল চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠন। বৈঠকে সবার সিদ্ধান্তে অভিনেতা আলমগীরকে এই ১৮ সংগঠনের মুখপাত্র নির্বাচিত করা হয়। শুধু তা-ই নয়, তার নেতৃত্বে দ্রুত তৈরি হবে চলচ্চিত্রের নতুন নীতিমালা। বৈঠক শেষে এভাবেই বললেন বরেণ্য অভিনেতা আলমগীর।
তিনি বলেন, শিল্পী সমিতি কিংবা কোনও নির্বাচন নিয়ে আমরা কথা বলিনি৷ আমাদের চলচ্চিত্রের খুবই খারাপ অবস্থা। যেখানে ১৪০০ প্রেক্ষাগৃহ ছিল, ১৫ টির মতো জুটি ছিল। কিন্তু আজকে এই অবস্থান কেন? চলচ্চিত্রের কি করে উন্নয়ন করা যায়, প্রেক্ষাগৃহ সংখ্যা, অভিনয় শিল্পী বৃদ্ধি করা যায় সবকিছু নিয়েই আমরা আলোচনা করেছি৷ শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনও মাথা ব্যথা নেই৷
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২০২৪ মেয়াদের নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। ফল ঘোষণার ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে বিতর্ক চলছেই। এই ইস্যু গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।
প্রভাতনিউজ/এনজে





