জাপানের এক দল বিজ্ঞানীর দাবি, তাঁরা এমন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন যা সেকেন্ডে ১,০০,০০,০০০ গিগাবাইটেরও বেশি গতিতে ডেটা পরিবহন করতে সক্ষম।
ইন্টারনেটের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১.০২ পেটাবিট। সহজ ভাষায় বললে, বর্তমানে ব্যবহৃত ৫জি ইন্টারনেট পরিষেবার চেয়েও প্রায় এক লক্ষ গুণ বেশি গতিতে ‘ডেটা’ পরিবহণ করার পদ্ধতি আবিষ্কার করে তাক লাগলেন জাপানি বিজ্ঞানীরা। জাপানের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনস টেকনোলজি’-র ‘নেটওয়ার্ক রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ বিভাগের বিজ্ঞানীদের দাবি, ‘মাল্টি-কোর ফাইবার’ ব্যবহার করে এমন অসাধ্যসাধন করেছেন তাঁরা।
ইন্টারনেটের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১.০২ পেটাবিট। সহজ ভাষায় বললে, বর্তমানে ব্যবহৃত ৫জি ইন্টারনেট পরিষেবার চেয়েও প্রায় এক লক্ষ গুণ বেশি গতিতে ‘ডেটা’ পরিবহণ করার পদ্ধতি আবিষ্কার করে তাক লাগলেন জাপানি বিজ্ঞানীরা। জাপানের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনস টেকনোলজি’-র ‘নেটওয়ার্ক রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ বিভাগের বিজ্ঞানীদের দাবি, ‘মাল্টি-কোর ফাইবার’ ব্যবহার করে এমন অসাধ্যসাধন করেছেন তাঁরা।
কবে থেকে মিলতে পারে এই পরিষেবা। জাপানি বিজ্ঞানীদের দাবি, বর্তমানে যে ‘অপটিক ফাইবার’ তার ব্যবহার করা হয়, সেই তারের মাধ্যমেই এই গতিবেগ পাওয়া সম্ভব। তাই সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব অল্প দিনের মধ্যেই এই পরিষেবা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। সব মিলিয়ে জাপানি বিজ্ঞানীদের দাবি যদি সত্যি হয়, তবে আমূল বদলে যেতে পারে ইন্টারনেট পরিষেবার চেহারা। অন্তত এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।





