আরব আমিরাতের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে আরব আমিরাতকে হারিয়েছে ৩২ রানে। ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলার পরও আরব আমিরাত সময়ের সাথে সাথে চোখ রাঙালেও বলের সাথে রানের দৌড়ে আর পেরে উঠেনি।
দুবাইয়ে মঙ্গলবারও টস ভাগ্য সায় দেয়নি। টসে হেরে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ। একাদশ দুই পরিবর্তন নিয়ে মুস্তাফিজ ও শরিফুলের পরিবর্তে তাসকিন ও এবাদত এসেছিলেন একাদশে।
ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের উদ্বোধনীতে ভরসা সাব্বির-মিরাজ। ফ্রি হিটে দারুণ একটা ছক্কা হাকিয়ে প্রত্যাবর্তনের আশা দেখালেও পরের ওভারেই আশা নিরাশায় পরিনত করে সাব্বির ফিরেন ৯ বলে ১২ রানে। তাকে ঘিরে উঠা সমালোচনা যেন দিলেন আরো উগড়ে। বিশ্বকাপেও তার থাকা নিয়েও শঙ্কা দেখা দিল এর ফলে।
সাব্বির ফিরে গেলেও মিরাজ-লিটনের দায়িত্বশীল জুটিতে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ৪৮ রান। ভালো শুরু করে আবারো লিটন ফিরেছেন সেট হয়ে। এই অভ্যেসটা যে তার কবে বদলাবে! তারপরও ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ৭৮ রান।
আয়ান আফজালকে দারুণ ছক্কা হাকিয়ে ১১তম ওভার শুরু করলেও এক বল পরেই আফিফ ফিরে যান। ১০ বলে ১৮ রানেই আজ থেমে যেতে হয় তাকে। উইকেট হারালেও রানের গতি কমতে দেননি মিরাজ-মোসাদ্দেক। তবে আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের বলি হয়ে মিরাজকে ফিরতে হয় ১৫তম ওভারে। আউট হবার আগে খেলেন ৫ চারে ৩৭ বলে ৪৬ রানের ইনিংস।
মিরাজ ফেরার পর রানের গতি কিছুটা কমে আসে। মোসাদ্দেকও সাজঘরে ফিরেন ২১ বলে ২৭ রান করে। ইয়াসির রাব্বি আর অধিনায়ক সোহান মাঠে থাকলেও রানের গতি বাড়াতে পারেননি তারা। ১৫ ওভারে ১২৬ থেকে পরের ৪ ওভারে মাত্র ২৯ রান আসে স্কোরবোর্ডে। শেষ বলে নুরুল হাসান সোহানের ছক্কাটা বাদ দিলে, আর তেমন কিছুই ছিল না শেষ ৫ ওভারে। নির্ধারিত ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৬৯। ১০ বলে ১৯ রানে অপরাজিত সোহান, ১৩ বলে ২১ করেছেন ইয়াসির।
১৭০ রানের লক্ষ্যে নেমে শুরুতেই আরব আমিরাতকে চেপে ধরে বাংলাদেশী বোলাররা। তাসকিন আহমেদের গতিতে হয়ে যায় ছন্নছাড়া। এর মাঝে চিরাগ সুরিকে ফেরান নাসুম। পঞ্চম ওভারের শেষ দুই বলে দুই ছক্কা হাকিয়ে ধুকতে থাকা আরব আমিরাত যখন খানিকটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়বে, তখনই তাসকিনের আঘাত তাদের দূর্গে। পাওয়ার প্লেতে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২৮ করে আরব আমিরাত।





