যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছ মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ঘোষণার পর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ এ. আরাফাত দাবি করছেন নির্বাচনে বিএনপিই বাধা। ফেইসবুক পোস্টে ভিসা নীতির বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুকে চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছেন আরাফাত।
চিঠিতে তিনি যা জানিয়েছেন তা ফেইসবুকের একটি পোস্টে তা তুলে ধরেছেন তিনি। চিঠিতে আরাফাত লিখেছেন, আপনাদের সম্প্রতি ঘোষিত ভিসা নীতি অনুসারে (এবং আপনি যে চিঠিটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠিয়েছেন) যেখানে আপনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ‘এই নীতি বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিবৃত প্রতিশ্রুতিকে সমর্থন করে এবং যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশি নাগরিক বা যে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকর্তারা যখন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করবে তখন তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ হবে।
এখানে আমি কিছু ভিডিও ফুটেজ সংযুক্ত করেছি, যেখানে আপনি দেখতে পাবেন যে বিএনপির কিছু শীর্ষ নেতারা বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিচ্ছেন। আমি আশা করি, আপনাদের ভিসা নীতি বিএনপির এই নেতাদের জন্যও প্রযোজ্য হবে।
অধ্যাপক আরাফাতের মতে এইসব বক্তব্য সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজনের অন্তরায়। যে কারণে বিএনপি নেতারা নিজেরাই ভিসা নীতিতে পড়তে পারেন বিপাকে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের লক্ষ্যে বুধবার নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আওতায় বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে তার জন্য দায়ী ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ দেওয়া হবে।





