চোটে জর্জরিত, অজিদের বিপক্ষে নেই আরেক প্রোটিয়া পেসার

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে পেস বোলারদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের কারণে ছিটকে গেছেন কোয়েনা মাপাকা। কাগিসো রাবাদা, ওটনিয়েল বার্টম্যান ও লুঙ্গি এনগিডির পর হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যায় পড়া সর্বশেষ পেসার হলেন মাপাকা। তার বদলি হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে লিজাদ উইলিয়ামসকে।

সিরিজের দল ঘোষণার আগেই চোটের কারণে রাবাদা ছিটকে পড়েছিলেন। অন্যদিকে ১৬ সদস্যের দল ঘোষণার পর বার্টম্যান ও এনগিডি ছিটকে যান এবং তাদের জায়গায় ডুয়ান জানসেন ও কোবানি মোকোয়েনাকে দলে নেওয়া হয়।হ্যামস্ট্রিং সংক্রান্ত এই সমস্যার কারণে প্রোটিয়ার পেস বোলিং বিভাগ এখন বেশ অনভিজ্ঞ মনে হচ্ছে।

সিরিজের জন্য তাদের হাতে থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছেন দলের প্রধান দুই অলরাউন্ডার মার্কো জানসেন ও করবিন বশ এবং জেরাল্ড কোয়েটজি। এই ক্রিকেটার সর্বশেষ ২০২৩ সালের নভেম্বরে ওয়ানডে খেলেছিলেন। এছাড়া আছেন ডুয়ান জানসেন ও মোকোয়েনা। যাদের দুজনের মোট ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা মাত্র চারটি ম্যাচের এবং উইলিয়ামস ২০২১ সালে অভিষেকের পর থেকে আটটি ওয়ানডে খেলেছেন।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে রাবাদা ও এনগিডিকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ডারবানে প্রথম, এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় এবং ৩০ সেপ্টেম্বর পচেফস্ট্রুমে সিরিজের শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর ডারবানে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ৩ ও ৪ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া দল ‘সাউথ আফ্রিকা একাদশ’-এর বিপক্ষে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। দ্বিতীয় টেস্টটি ১৮ অক্টোবর থেকে গকেবেরহায় এবং তৃতীয় টেস্টটি ২৭ অক্টোবর থেকে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোয়াড:

টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), করবিন বশ, ম্যাথিউ ব্রিটসকে, জেরাল্ড কোয়েটজি, কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), টনি ডি জর্জি, বিয়র্ন ফরটুইন, ডুয়ান জানসেন, মার্কো জানসেন, কোবানি মোকোয়েনা, কেশব মহারাজ, এইডেন মার্করাম, ডেভিড মিলার, রায়ান রিকেলটন (উইকেটরক্ষক), ট্রিস্টান স্টাবস, লিজাদ উইলিয়ামস।