জেমকন খুলনার দেওয়া ১৫৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন চট্টগ্রামের দুই ভরসার মুখ সৌম্য সরকার ও লিটন দাস। দায়িত্ব নিতে পারেননি অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনও। গুরুত্বপূর্ণ তারকাদের হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে লড়ছে চট্টগ্রাম।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চট্টগ্রামের সংগ্রহ তিন উইকেটে ৮২ রান।
রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ২৬ রানের মাথায় সৌম্যকে হারায় চট্টগ্রাম। ৩.৩ ওভারে বাঁহাতি ওপেনারকে বোল্ড করেন শুভাগত হোম। ১০ বলে ১২ রান করেন তিনি। পরের ওভারে মিঠুনকে এলবির ফাঁদে ফেলেন আল আমিন। এরপর ২৩ রানের মাথায় রান আউট হয়ে ফিরেন লিটন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৫৫ রান করে জেমকন খুলনা। ইনিংসের শুরুতেই বিপদে পড়ে খুলনা। প্রথম বলে শট খেলতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি। একই বোলার নাহিদুল ইসলামের ডেলিভারিতে লং অফে কাটা পড়েন ইমরুল কায়েস।
তবে শুরু থেকে ভালোভাবে এগোচ্ছিলেন জাকির হাসান। কিন্তু পারেননি বেশি দূর যেতে। ৬.৩ ওভারে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বলে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ২৫ রানে ফেরেন এই ওপেনার। এরপর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে প্রতিরোধ গড়েন আরিফুল হক। ১১.৫ ওভারে ওই প্রতিরোধ ভাঙেন শরিফুল ইসলাম। উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২১ রানে ফেরেন আরিফুল।
সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হন শামীম। ১৮.১ ওভারে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাকে নিজের শিকার বানান মুস্তাফিজ। ওই ওভারেই মুস্তাফিজের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৯ বলে ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি স্পর্শ করেন মাহমুদউল্লাহ। এই টুর্নামেন্টে এটাই তাঁর প্রথম হাফসেঞ্চুরি। ব্যাটসম্যানদের হতাশার দিনে শেষ পর্যন্ত খুলনাকে ১৫৫ রানের সংগ্রহ এনে দেন মাহমুদউল্লাহ।





