ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

ভারতের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি হলেন দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। তিনিই হলেন দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি দ্বিতীয় মহিলা, যিনি ভারতের রাষ্ট্রপতির পদের দায়িত্ব গ্রহণ করছেন।

সরকারি দফতরে করণিক, স্কুল শিক্ষিকা, কাউন্সিলর, বিধায়ক, মন্ত্রী, রাজ্যপাল থেকে দেশের রাষ্ট্রপতি হয়ে নিজের কর্মজীবনের একটা বৃত্ত পূরণ করলেন দ্রৌপদী মুর্মু।

জন্ম

১৯৫৮ সালের ২০ জুন। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার বায়দাপোসি গ্রাম।

পড়াশোনা ও চাকরি

*প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে পড়াশোনা করেন রাজ্যের রাজধানী ভুবনেশ্বরের রমাদেবী উইমেন’স কলেজে। বিএ পাশ করেন।

*সেচ ও জ্বালানি বিভাগে জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৩।

*ওড়িশার রায়রংপুরের অরবিন্দ ইন্টিগ্রাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে শিক্ষকতা, ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭।

রাজনীতি

১৯৯৭ সালে একজন কাউন্সিলর হিসাবে নিজের রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন দ্রৌপদী। পরে দু’বার বিধায়ক হন বিজেপির প্রতীকে। রায়রংপুর আসনে ২০০০ ও ২০০৯ সালে বিজেপির পক্ষে দাঁড়িয়ে ওড়িশা বিধানসভার সদস্য। এমনকী ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের মন্ত্রীসভার সদস্যও ছিলেন তিনি। ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত মন্ত্রী ছিলেন। প্রথমে বাণিজ্য ও পরিবহণ পরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

পরে রায়রাংপুর জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের ভাইস-চেয়ারপারসন হন।

তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের নেত্রী দ্রৌপদী মুর্মু। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তফসিলি উপজাতি মোর্চার ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

রাজ্যপাল

২০১৫ সালের ১৮ মে তিনিই ঝাড়খণ্ডের প্রথম রাজ্যপাল, যিনি পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করেছিলেন। ওড়িশা থেকে প্রথম আদিবাসী মহিলা হিসেবে রাজ্যপাল হন তিনি। ২০২১ সালের ১২ জুলাই পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন তিনি।