১০ জনের দল নিয়েও তুরস্ককে হারালো প্যারাগুয়ে


চলমান বিশ্বকাপের আসরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় তুরস্ক-প্যারাগুয়ে। ম্যাচের শুরুতেই গোল করে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে, আর সেই একমাত্র গোলেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেয় দলটি।

রোমাঞ্চে ভরা লড়াইয়ে পুরো ম্যাচজুড়ে সুযোগ তৈরি করেও তা কাজে লাগাতে পারেনি তুরস্ক, ফলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পরাজয়ের স্বাদ নিতে হয়েছে তাদের। স্যান ফ্রান্সিসকোতে বাংলাদেশ সময় আজ শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতেই প্যারাগুয়ের হয়ে জালে বল পাঠান মাতিয়াস গালারসা। তার এই দ্রুত গোলেই চাপে পড়ে যায় তুরস্ক।

দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা সময় প্যারাগুয়ের চেয়ে একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে খেলার সুযোগ পেয়েও ম্যাচে ফিরতে পারেনি তুরস্ক। একের পর এক আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি তারা। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে শেষ পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দলটিকে। অন্যদিকে শুরুতে পাওয়া লিড ধরে রেখে দারুণভাবে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখে প্যারাগুয়ে। রক্ষণভাগের দৃঢ়তা আর পরিকল্পিত খেলার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ এই জয় নিশ্চিত করে তারা।

ম্যাচের শুরুতেই গোল করে প্যারাগুয়েকে এগিয়ে দেন মাতিয়াস গালারজা। গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরে আসতে মরিয়া হয়ে ওঠে তুরস্ক। প্রথমার্ধের শেষ দিকে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা মেলেনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বড় ধাক্কা খায় প্যারাগুয়ে। মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরন মুখ ঢেকে তুরস্কের মের্ত মুলদুরকে কিছু বলার পর ভিএআরের সহায়তায় ঘটনা পর্যালোচনা করেন রেফারি। পরে ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয় তাকে। বিশ্বকাপে এই নিয়মে এটিই প্রথম লাল কার্ডের ঘটনা।

দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে ১০ জনের প্যারাগুয়ের রক্ষণভাগে একের পর এক আক্রমণ চালায় তুরস্ক। পুরো ম্যাচে ৩২টি শট নিয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয় তারা। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও ৩০টি শট নিয়েছিল তুরস্ক, কিন্তু সেবারও গোলের দেখা পায়নি। দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৬২টি শট নিয়েও গোলশূন্য থাকা দলটি শেষ পর্যন্ত গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিলো।