জাবেদ আলী, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
গত কয়েকদিন ধরে কুড়িগ্রামে ক্রমাগত বাড়ছে শীতের প্রকোপ। জেলার রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের তথ্যানুযায়ী কুড়িগ্রামে রবিবার (৩১ জানুয়ারী) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি সপ্তাহে সব থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড।
দুপুরের পর সামান্য কিছু সময় সূর্যের দেখা মিললেও উষ্ণতা মিলছে না তাতে। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার সঙ্গে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন ও শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী, ছিন্নমূল মানুষ। দিনের বেলায় সূর্যের আলো না থাকার কারণে হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। লোকজন খড়কুটো জ্বালিয়ে চেস্টা করছে শীত নিবারণের এদিকে ঘন কুয়াশা আর মৃদু শৈত্য প্রবাহের কারণে কুড়িগ্রামে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টসহ বাড়ছে শীতজনিত নানা রোগীর সংখ্যা।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পুলক কুমার সরকার জানান, কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ২৫ জন ডায়রিয়া ও ৬ জন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে গত ১৫ দিন ধরে রোগীর সংখ্যা একটু বেশি বলে জানান তিনি।
জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার হাবিবুর রহমান জানান,”চলতি সপ্তাহে হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে শিশু বিভাগে ১০-১৫ জন শিশু ভর্তি হচ্ছেন আর ডায়রিয়া বিভাগে ২০- ২৫ জন ,যারা সবাই শীতজনিত রোগে আক্রান্ত। এছাড়াও প্রতিদিন গড়ে ৮০০ মতো রোগী বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন শীত জনিত রোগের।
অন্যান্য জেলার চেয়ে কুড়িগ্রামে শীতের প্রকোপ একটু বেশি। এবারের করোনার প্রোকোপের পাশাপাশি সর্দি, কাশি নিয়ে হাসপাতাল গুলোতে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন ।
তবে আসাদের স্বাস্থ্য বিভাগও চিকিৎসার ব্যাপারে যথেষ্ঠ তৎপর রয়েছে ।”





