মঙ্গলবার রাতে দুই পক্ষের সংঘর্ষের জেরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে চলছে থমথমে অবস্থা। এই ঘটনায় একজনের মৃত্যু ও প্রায় অর্ধ শতাধিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আছেন। পৌরসভা এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারার কারণে বাজারে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি একেবারেই কম। বসুরহাট বাজারের বেশির ভাগ দোকানপাটই বন্ধ।
মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে। এর মধ্যে অভিযান চালিয়ে আটক ২৮ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক বলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ৯৮ জনের নামে মামলা করেছেন। সংঘর্ষের ঘটনার পর বুধবার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু ককটেল, মারামারির কাজে ব্যবহৃত লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টায় বসুরহাট বঙ্গবন্ধু চত্বর ও পৌরসভা ভবন এলাকায় কাদের মির্জা ও মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীসা ২৮ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বসুরহাট-চাপরাশিরহাট সড়ক থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বহনকারী পিকআপ ভ্যান থেকে বেশ কিছু ককটেল, ইটপাটকেল ও লোহার রড উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারার পরিপ্রেক্ষিতে আজ সকাল থেকে বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় টহল দিচ্ছে র্যাব ও পুলিশের সদস্যরা। থানা-পুলিশের পাশাপাশি জেলা থেকে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীসা।





