খেলা: হাতে উইকেট জমা থাকল পাঁচটি। স্কোরটা সেই হিসেবে আরো বড় হতে পারত। কিন্তু পারল না সিলেট। মোহাম্মদ মিঠুন ও মোসাদ্দেকের ব্যাটে সিলেট সাইনরাইজার্স করতে পারলো ৫ উইকেটে ১৪২ রান। জয়ের জন্য খুলনা টাইগার্সের দরকার ১৪৩ রান।
বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বিপিএলের ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৪ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সিলেট। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন মোহাম্মদ মিঠুন ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
খালেদ আহমেদের বলে প্রথম বিদায় নেন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। ১০ বলে মাত্র ৪ রান করে নাবিল সামাদের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর আরেক ওপেনার লেন্ডল সিমন্সকে সাজঘরে ফেরত পাঠান খুলনার পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি। ১৯ বলে সিমন্স করেন ৬ রান। ভালো করতে পারেননি কলিন ইনগ্রামও। ৩ বলে দুই রান করে তিনি নাবিল সামাদের বলে এলবিডব্লিউ।
পঞ্চম উইকেটে মিথুন ও মোসাদ্দেক দলের হাল ধরেন। এই জুটি দলকে নিয়ে যান ১০২ রান পর্যন্ত। এই জুটি ভাঙেন খালেদ আহমেদ। ৩০ বলে তিন চার ও দুই ছক্কায় ৩৪ রান করা মোসাদ্দেককে জাকের আলীর ক্যাচ বানান তিনি। বাকি পথটা মিথুন ও মুক্তার আলীই পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে বিদায় নেন মিথুন। সৌম্য সরকারের বলে বিদায় নেয়ার আগে মিথুন খেলেন ৫১ বলে ৭২ রানের দারুণ ইনিংস। তার ইনিংস সাজানো ছয়টি চার ও চারটি ছক্কায়।
মুক্তার আলী ৫ ও নাদিফ চৌধুরী ৬ রানে থাকেন অপরাজিত। বল হাতে খুলনার হয়ে খালেদ আহমেদ দুটি, নাবিল সামাদ, কামরুল ইসলাম ও সৌম্য সরকার নেন একটি করে উইকেট।
স্কোরবোর্ড:
সিলেট সানরাইজার্স: ২০ ওভার, ১৪২/৫; (সিমন্স ৬, বিজয় ৪, মিঠুন ৭২, ইনগ্রাম ২, মোসাদ্দেক ৩৪, মুক্তার ৫, নাদিফ ৬); (খালেদ ৪-০-২০-২, নাবিল ৪-১-১০-১, কামরুল ৪-০-৩১-১, মাহেদি ১-০-৮-০, প্রসান্না ২-০-২২-০, পেরেরা ৩-০-৩০-০, সৌম্য ২-০-১৬-১)।
টস: খুলনা টাইগার্স টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত।
প্রভাতনিউজ/এনজে





