ফাইনালে উঠতে কুমিল্লার দরকার ১৪৪ রান

খেলা: বিপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে মিরপুরে মুখোমুখি হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও ফরচুন বরিশাল। আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে বরিশাল করেছে ৮ উইকেটে ১৪৩ রান। ফাইনালে উঠতে কুমিল্লার দরকার ১৪৪ রান।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেন বরিশালের দুই ওপেনার ক্রিস গেইল ও তরুণ মুনিম শাহরিয়ার। ৬.২ ওভারে উদ্বোধনী জুটিতে দুজনে তোলেন ৫৮ রান। ক্রিস গেইলকে ফিরিয়ে জুটি বিচ্ছিন্ন করেন শহিদুল ইসলাম। ১৯ বলে চারটি চারে ২২ রান করা গেইল ক্যাচ দেন ইমরুল কায়েসের হাতে।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শান্তকে সাথে নিয়ে আগাতে থাকেন মুনিম। দলীয় ৮৪ রানে এই জুটি ভাঙেন তানভির ইসলাম। ৩০ বলে ৪৪ রান করে ফেরেন মুনিম। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার ও চারটি ছক্কার মার। একই ওভারে দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হন বরিশাল অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। টানা পাঁচ ম্যাচে ম্যাচ সেরার পুরস্কার নেয়া সাকিব এবার ফেরেন ২ বলে ১ রান করে।

পরের ওভারে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্তও। মঈন আলীর বলে অঙ্কনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ১২ বলে শান্ত করেন এক চারে ১৩ রান। ১৩তম ওভারে আবার মঈন ঝলক। এবার ফেরান তৌহিদ হৃদয়কে। ৩ বলে ১ রান করা তৌহিদ ক্যাচ দেন নারিনের হাতে। ১০ রানের ব্যবধানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তখন বরিশাল।

এরপর জিয়া ও ব্রাভোয় ১০০ পার করে বরিশাল। দলীয় ১১০ রানে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন জিয়া। ১২ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৭ রান করেন তিনি। ব্রাভো ও নুরুল হাসান সোহান কাজের কাজ করতে পারেননি। রানের চেয়ে বল খরচ করেছেন বেশি। ১৯তম ওভারে দুজনই আউট হন শহিদুলের বলে। ২১ বলে এক ছক্কায় ১৭ রান করেন ব্রাভো। ১৩ বলে এক চারে ১১ রান করেন নুরুল হাসান।

বল হাতে কুমিল্লার হয়ে ৩ উইকেট নেন শহিদুল। মঈন আলী দুটি, সুনীল নারিনে ও তানভির নেন একটি করে উইকেট।

এই ম্যাচে জয়ী দল উঠে যাবে ফাইনালে। হেরে যাওয়া দলের অবশ্য সুযোগ থাকছে। বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে তারা খেলবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে।

প্রভাতনিউজ/এবিএস