ওয়েস্ট ইন্ডিজে যখন বাংলাদেশের সব ব্যাটার খাবি খাচ্ছে সেখানে একা হাতে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন সদ্য টেস্ট অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেওয়া সাকিব আল হাসান। প্রথম ইনিংসে খাদের কিনারে পড়া বাংলাদেশকে ফিফটি হাঁকিয়ে শত রানের কোটা পার করান সাকিন।
দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় যখন ইনিংস ব্যবধানে হার চোখ রাঙাচ্ছিল তখন নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন টাইগার অধিনায়ক। সোহানের সঙ্গে ম্যাচের সর্বোচ্চ ১২৩ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরান টাইগারদের। তবে এই ইনিংসেও ফিফটি স্পর্শ করার পর ফেরেন তিনি।
সাকিবের এমন ব্যাটিংয়ে খুশি টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। তবে এই প্রোটিয়ান কোচ মনে করেন সাকিবের পক্ষে সেঞ্চুরি করা খুব সম্ভব এবং তাই সাকিবের ব্যাটে শতক দেখতে চান তিনি।
অ্যান্টিগা টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে সাকিবের শতক দেখতে চাওয়া নিয়ে ডমিঙ্গো বলেন, ‘সে শতরান করার মতো যথেষ্ট ভালো। শতরান তাকে করতে হবে। এখন সে সাত নম্বরে ব্যাট করছে, তবে এমনিতে তো ছয়ে ব্যাট করে। শীর্ষ ছয় ব্যাটসম্যানদের সেঞ্চুরিতে চোখ রাখতে হয়। আক্রমণ ও রক্ষণের সেই ভারসাম্য তাকে করতে হবে।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যান্টিগা টেস্টের দুই ইনিংসে সাকিবকে দেখা গিয়েছিল নেমেই দ্রুত রান তোলার তাড়ণায় আগ্রাসী শট খেলতে। যার ফলে শুরুতে আউট হওয়ার সম্ভাবনাও জাগে সাকিবের। প্রথম ইনিংসে ২ রানে জীবনও পেয়েছিলেন, দ্বিতীয় ইনিংসেও দেখা গিয়েছে উইন্ডিজরা বিপাকে ফেলেছিলেন তাকে।
যদিও শুরুর সেই সময় কাটিয়ে ওঠার পর সাকিব নিজের সেরা ছন্দেই খেলে গিয়েছিলেন। সাকিবের এমন ব্যাটিং নিয়ে ডমিঙ্গো বলেন, ‘সাকিবের ব্যাটিংয়ে সবসময়ই তাড়না দেখা যাবে, অভিপ্রায় নিয়েই ব্যাট করে সে। আমরা চাই না সে স্লগ করুক, চাই যে ভালো ক্রিকেট শট খেলুক। মনে হচ্ছে, তার চাওয়া ছিল যে বোলারদের ওপর চাপ কিছুটা ফিরিয়ে দেওয়া। তবে সে জানে যে শুরুর ওই পর্যায়টা পেরিয়ে গেলে সে যথাযথভাবে ব্যাট করবে এবং শেইপ ধরে রাখবে।
কখনও কখনও পাল্টা আক্রমণ করতে হয়, কোনো সংশয় নেই তাতে। তবে স্রেফ নিশ্চিত করতে হবে নিজের শেইপ ও পজিশন যেন ঠিক থাকে, মাথার অবস্থান অনড় থাকে। কারণ সে মানসম্পন্ন ব্যাটসম্যান, আজকেও (টেস্টের তৃতীয় দিন) যেমন দেখিয়েছে।’





