কাতার বিশ্বকাপ জয়ে আর্জেন্টিনা দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। যে কারণে বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতে নেন এই মিডফিল্ডার। তবে ‘থার্টি ফার্স্টের’ পার্টি করতে নিজ দেশে পাড়ি দিয়ে শাস্তির মুখে পড়েছেন ২১ বছর বয়সী পর্তুগালের ক্লাব বেনফিকার এই তারকা।
মরুর বুকে বিশ্বকাপ জিতে আর্জেন্টিনায় ফিরে গিয়েছিলেন এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর উদ্যাপনের জন্য তাকে যথেষ্ট সময়ও দেয় ক্লাব বেনফিকা। বিশ্বকাপ বিরতির পর ৩০ ডিসেম্বর লিগে ব্রাগার মাঠে ৩-০ গোলে হেরে যাওয়ার বেনফিকার প্রথম ম্যাচের একাদশেও ছিলেন এনজো। কিন্তু ম্যাচ শেষে থার্টি ফার্স্টের পার্টি করার জন্য হুট করে আবারও আর্জেন্টিনায় চলে যান এনজো। এর জন্যই তাকে শাস্তি পেতে হয়েছে।
এমনিতেই শীতকালীন দলবদলের বাজারে ফার্নান্দেজকে টানতে মরিয়া ইউরোপের বেশ কয়েকটি দল। শুরুতে তাকে দলে টানার দৌড়ে ছিল লিভারপুল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে হঠাৎ দৌড়ে যুক্ত হয়েছে চেলসির নাম। ইংলিশ ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে বেনফিকা আর ফার্নান্দেজ নাকি একমত হয়েছেন বলেও খবর এসেছিল।
তাই অনেকেই ধারণা করেছিলেন, এই কারণেই হয়ত পোর্তিমোনেন্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয়ের ম্যাচে একাদশে ছিলেন না ফার্নান্দেজ। এমনকি বেঞ্চেও জায়গা হয়নি বিশ্বকাপজয়ী এই মিডফিল্ডারের। তবে কারণটা জানা গেল ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে কোচ শ্মিটের কথায়। তিনি যা বলেছেন, সেটার সারমর্ম একটাই—শাস্তি হিসেবে পোর্তিমোনেন্সের বিপক্ষে ম্যাচের স্কোয়াডে ছিলেন না ফার্নান্দেজ।
থার্টি ফার্স্টের পার্টি করতে ব্রাগার বিপক্ষে ম্যাচের পর আর্জেন্টিনায় যাওয়ার আবেদন করেছিলেন ফার্নান্দেজ। তবে ক্লাব ফার্নান্দেজকে সেই অনুমতি দেয়নি। তাই কাউকে কিছু না বলেই তিনি আর্জেন্টিনায় চলে গিয়েছিলেন।





