ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় ২১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। এদিন মামলার চার্জশিট গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। বিচারক ১৫ মার্চ চার্জশিট গ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আছাদুজ্জামানের আদালতে তারা হাজিরা দেন বলে মির্জা আব্বাস দম্পতির আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
চার্জশিটে বলা হয়, মিসেস আফরোজা আব্বাসের নামে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৮ টাকার সম্পদ প্রকৃতপক্ষে তার স্বামী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের সহায়তায় ও মাধ্যমে অবৈধ উৎসের আয় থেকে অর্জিত। মির্জা আব্বাস সংসদ সদস্য, মেয়র ও মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে আসামিরা (স্বামী-স্ত্রী) ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন অবৈধ উপায়ে ১৬ আগস্ট ২০০৭ পর্যন্ত আফরোজা আব্বাসের নামে সর্বমোট ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৮ টাকার সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের মঞ্জুরি আদেশ মোতাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এর অভিযোগপত্র নম্বর ৬৬ অনুযায়ী আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
উল্লেখ্য, মির্জা আব্বাস ১৯৯১ থেকে ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলেন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। একই সময়ে তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি দুদকের সাবেক সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আব্বাস দম্পতির বিরুদ্ধে ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।





