বাজারে পালসারের নতুন স্পোর্টস বাইক

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলাচ্ছে তরুণদের রুচি। পোশাক থেকে শুরু করে সবকিছুতেই বিশেষ নজর দিচ্ছেন তরুণরা। এ তালিকায় নয়া সংযোজন স্পোর্টস বাইক। এক সময় যাতায়াতের জন্য যেকোনো একটা বাইক হলেই চলত। কিন্তু বর্তমানে পাল্টে গেছে রুচির ধরন। বাজারে দাম ও ডিজাইনের ভিন্নতা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের বাইক রয়েছে। তবে তরুণদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে স্পোর্টস বাইক।

তবে স্পোর্টস বাইকের কথা শুনলেই বাইকপ্রেমীদের পছন্দের তালিকার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে পালসারের নাম। কারণ, দেশে স্পোর্টস বাইকের সূচনা থেকে যত বিপ্লব, তা এর মধ্য দিয়েই হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ বাইকের গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তাও বেড়েছে।

বাইকপ্রেমীদের কাছে পালসার মানেই আলাদা এক শক্তির নাম। সবাইকে বাইক চালাতে উৎসাহ প্রদানে পালসার এখন নিয়ন্ত্রণ ও নির্ভুলতায় গুরুত্ব দিয়েছে। যে কারণে প্রতিষ্ঠানটি বাজারে নতুন ধরনের স্পোর্টস বাইক ‘বাজাজ পালসার এন১৬০ মোটরসাইকেল’ এনেছে। ১৬৪ দশমিক ৮২ সিসির এ বাইকে রাখা হয়েছে ডুয়েল-চ্যানেল এবিএস এর সাথে কুলিং সিস্টেম হিসেবে যোগ করা হয়েছে অয়েল কুল্ড ইঞ্জিন। এর ফলে ১৬৪ দশমিক ৮২ সিসি সেগমেন্টের বাজারে বেশ এগিয়ে থাকবে বাইকটি। নতুন এ বাইকটিতে থাকা টুইন-চ্যানেল এবিএস ফিচারের সুবিধা থাকায় চাকা লক না হওয়া বা আটকে যাওয়া কিংবা রাস্তায় চাকা যেন পিছলে না যায় সেসব ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। আর দুর্দান্তভাবে গতি বাড়াতে ও থামাতে সাহায্য করবে ৩০০ মিলিমিটারের ডিস্ক ব্রেক। এর সঙ্গে আরও থাকছে ৩৭ মিমি টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট সাসপেনশন আর ব্যাক সাসপেনশনে ১২০ মিমি নাইট্রোক্স সহ মনো সাসপেনশন ।

এ বাইকে ব্যবহার করা হয়েছে এলইডি প্রজেক্টর হেডল্যাম্প ও আন্ডারবেলি এগজস্ট রয়েছে। বাইটিতে সিঙ্গেল সিলিন্ডারে ৪ স্ট্রোক SOHC ২ ভালভের অয়েল কুল্ড ইঞ্জিন পাওয়া যাবে। এর সর্বোচ্চ শক্তি ১৫ দশমিক ৬৯ বিএইচপিতে ৮ হাজার ৭৫০ আরপিএম এবং সর্বোচ্চ টর্ক ১৪ দশমিক ৬৫ এনএম, ৬ হাজার ৭৫০ আরপিএম।

বাইকটিতে ইউএসবি চার্জিং পয়েন্ট ও হাইটেক লুক রয়েছে, যা জীবনকে আরও আধুনিক করবে। এর সঙ্গে দুটি ধাতব রঙের আবহে বাইকটি ডিজাইন করা হয়েছে। বাইকটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে ক্রেতা পাচ্ছেন দুই বছরের ওয়ারেন্টি ও চার বছরের সার্ভিসিংয়ের সুবিধা।

এ ছাড়া বাইকটি জ্বালানী সক্ষমতা ১৪ লিটার ট্যাংকে ফুয়েল ইঞ্জেকশন সিস্টেম (এফআই) থাকায় মাইলেজ বেশ ভালো পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাইকটির সামনের চাকায় ১০০/৮০-১৭ ও পেছনের চাকায় মাপ ১৩০/৭০-১৭ এর টিউবলেস টায়ার। বাইকটির ।

বাইকটির ওজন ১৫৪ কেজি, হুইল বেইজ ১ হাজার ৩৫৮ এমএম, উচ্চতা ৭৯৫ এমএম ও গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৫ এমএম। সেমি-জিডিটাল অডোমিটারে ফিচারে নতুন সংযোজন হিসেবে পাওয়া গিয়ার ইন্ডিকেটর।