কাতার বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নিজের ১৬ বছরের আক্ষেপ কাটিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার এবং অধিনায়ক লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। যদিও বিশ্বকাপ জেতার প্রক্রিয়াটা বেশ কঠিনই ছিল মেসি এবং আর্জেন্টিনার জন্য। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হেরে শুরু করেছিল লে আলবিসেলেস্তেরা।
সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে টানা জয়ে বিশ্বকাপটাই নিজেদের করে নিয়েছেন মেসিরা। তবে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ খেলতে হয়েছে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। কোয়ার্টার ফাইনালে ডাচদের বিপক্ষে নির্দিষ্ট সময়ে ফলাফল আসেনি। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হয়েছে ম্যাচের। যেখানে শেষ হাসি হেসেছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ চলাকালীন অবশ্য দুই দলের মধ্যেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল লুসাইল স্টেডিয়ামে। ম্যাচে মোট ফাউল হয়েছিল ৪৮টি। যার মধ্যে ৩০টি করেছিল নেদারল্যান্ডস এবং ১৮টি আর্জেন্টাইনরা। ম্যাচে মোট কার্ডও দেখানো হয়েছিল ১৫টি। যারমধ্যে ১৪টি হলুদ কার্ড এবং অন্যটি লাল।
খেলার এক পর্যায়ে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি ডাচ কোচ লুইস ফন গালের সঙ্গে তর্কেও জড়িয়েছিলেন বলে দেখা গিয়েছিল। খেলার ৭৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে তো মেসি ডাচ কোচকে উদ্দেশ্য করে রিকুয়েলমের মতো কানের দুই পাশে দুই হাত দিয়ে উদযাপনও করেছেন।
তবে সেই উদযাপন ব্যক্তিগতভাবে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মেসির নিজেরই পছন্দ হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো রেডিও আরবান প্লেকে পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাতকার দিয়েছেন মেসি। যেখানে তিনি বলেছেন, সেই উদযাপন তখন করা উচিত হয়নি তার। এখনও সেই উদযাপনটি মেসির অপছন্দের তালিকায় আছে এবং থাকবেও।
মেসি ডাচদের বিপক্ষে সেই ম্যাচ এবং উদযাপন নিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আমার টিমমেটরা ফন গাল কী বলেছিলেন সেটা জানিয়েছেন। বলেছিল, ওরা আমাদের নিয়ে ম্যাচের আগে কী বলেছে। সেই ঘটনাটি (গোল উদযাপন) সেই কারণে আসলে ঘটে গেছে। আমি আসলে ওই ছবিটা মনে রাখতে চাই না, কিন্তু সেটা সহজাতভাবেই চলে এসেছিল। যা আমি করেছি, তা কোনোভাবেই নিজে থেকে পছন্দ করি না। এমনকি যা ঘটেছে তার পরেও পছন্দ করছি না। অনেক নার্ভাস ছিলাম সেসময়।’





