অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল না। ভোটাররা নির্বাচন বর্জন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
আজ বুধবার নির্বাচন চলাকালে দুপুরে রাজধানীর কমলাপুরে সিপাহি বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে পদযাত্রা কর্মসূচির শেষ দিনে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ব্রাহ্মবাড়িয়াসহ ছয় আসনের উপনির্বাচনে ভোটাররা কেন্দ্রে যায়নি। শুনলাম একটা কেন্দ্রে কেনো ভোটার যায়নি। পুলিশ ভোটারদের আনতে মাইকিং করেছে। ভোটের জন্য পুলিশকে মাইকিং করার ঘটনা জীবনে শোনা যায়নি।’
তিনি বলেন, ‘এই পদযাত্রায় সরকার ভিত নড়বড়ে হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের পায়ের আওয়াজ পেয়ে গেছে। আমরা চিৎকার করলে আওয়ামী লীগ ভয় পায়, নীবর থাকলেও ভয় পায়। আওয়ামী লীগ বিএনপির পদযাত্রায় রাস্তায় প্রকম্পিত হচ্ছে বলেও ভয় পাচ্ছে।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘কেউ বলেন এটা আমাদের মরণযাত্রা। খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, এটা সরকারের বিদায়ের অগ্রিম শোভাযাত্রা। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় একটা নাম দিয়েছেন। আমি আজকে বলছি, এই পদযাত্রা আওয়ামী লীগের শবযাত্রার পূর্ব অবস্থা। আমরা বলে দিচ্ছি, আপনাদের পতন শুরু হয়ে গেছে। এখন শুধু দেশের মানুষের সময়ের অপেক্ষা।’বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘মাসে মাসে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। মনে হচ্ছে, এই দেশে কারো একার রাজত্ব। রাজার হুকুমের মতো দেশ চলবে।’
সরকারের উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বলে বিএনপি-জামায়াত। আরে, বিএনপি-জামায়াত না, আওয়ামী-জামায়াত। আওয়ামী লীগ ও জাময়াতের দাবি ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আজকের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, সারা জীবনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই। তাদের মুখের কথার কোনো ঠিক নাই। যখন যেখানে যেটা প্রয়োজন, সেটা তারা ব্যবহার করেন।’
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আবদুস সালাম ও সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু বক্তব্য রাখেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ১০ দফা দাবিতে দুপুর আড়াইটায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে কমলাপুর সিপাহি বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ থেকে থেকে খিলগাঁও মোড় হয়ে মালিবাগ বাজার পর্যন্ত তিন কিলোমিটার পথ দেড় ঘণ্টায় শেষ করেন নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে রাস্তার এক পাশ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়।





