বঙ্গবাজারে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করে আগুনের ঘটনার জন্য সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সরকারের দায়িত্বহীনতার কারণে একের পর এক অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটছে।
আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে চলমান যুগপৎ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ‘১২ দলীয় জোট’ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সরকারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে কোনো জায়গাতেই দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না। এর আগে সিদ্দিকবাজারে ২২/২৩ জন মানুষ মারা গেছেন। তিনি বলেন, আগুন কেন লাগছে সেটি চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট বিভাগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। কিন্তু তারা এখনও পর্যন্ত কারণ খুঁজে বরতে পারেননি। অগ্নিকাণ্ডজনিত দুর্ঘটনা বন্ধ করার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেননি। বাংলাদেশের সর্বত্র এক চিত্র। সড়কেও প্রতিদিন প্রাণ যাচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ‘সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সব রকমের নীতি নৈতিকতাকে বিসর্জন দিয়ে, সংবিধানকে পুরোপুরিভাবে বিসর্জন দিয়ে, মানুষের অধিকারকে পুরোপুরি লঙ্ঘন করে বেআইন কাজগুলো নিদ্বিধায় করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার কুমিল্লায় যুবদলের একটি ইফতার মাহফিলে হামলা চালিয়ে পুলিশ ২০/২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ময়মনসিংহে জেলার কমিটির সভায় আওয়ামী হামলা চালিয়েছে। কয়েকদিন আগে নাটোর ও খুলনায় একইভাবে হামলা করেছে।
১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্ব ও জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদার পরিচালনায় আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বক্তব্য রাখেন।
এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, আবদুল্লাহ আল নোমান, শামা ওবায়েদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এনডিপির আবু তাহের, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার তাসমিয়া প্রধান, বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, গণদলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) আহসান হাবিব লিংকনসহ ১২ দলীয় জোট ও গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





