জনপ্রিয় অভিনেতা রিয়াজ সম্প্রতি জ্যাম্বস কাজল নামে একজন নির্মাতার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। রিয়াজের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলেছিলেন জ্যাম্বস কাজল। এ ছাড়াও কয়েক দিন আগেই দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধনেও উপস্থিত ছিলেন এই অভিনেতা। এসব নিয়ে রিয়াজ চলে আসছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নানা প্রতিক্রিয়ায়। এসব প্রতিক্রিয়া ও সমসাময়িক কয়েকটি বিষয় নিয়ে কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে কথা বললেন দেশের জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
জ্যাম্বস কাজল নামের একজন পরিচালক কয়েক দিন আগে আপনার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে আপনি মামলাও করলেন। আসলে বিষয়টি কী হয়েছিল? কেন মামলা করলেন?
এফডিসিতে সংবাদ সম্মেলন করে একজন পরিচালক আমাকে নানা কথা বলেছেন। নানা নোংরা বিশেষণ দিয়ে বিশেষায়িত করেছেন। নোংরা উপাধি দিয়েছেন। কেন করেছেন আমি বুঝতে পারিনি, এখানে আমার কী দোষ ছিল সেটাও বুঝতে পারিনি। যার ফলে আমি আদালতে গিয়েছি, আইনের দ্বারস্থ হয়েছি। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আইনের আশ্রয় নেওয়া আমার নাগরিক অধিকার। বিজ্ঞ আদালত সেটা আমলে নিয়ে মামলা রেজিস্ট্রি করেছেন এবং পিবিআইকে তদন্তভার দিয়েছেন। আমি আদালতের প্রতি আস্থাশীল। বাংলাদেশের আইনের প্রতি আস্থাশীল। আমি সবাইকে বলেছিলাম যে এটার বিরুদ্ধে মামলা করব। তাই এটা করা ছাড়া আমার কোনো উপায় ছিল না। উনি যেভাবে আমাকে নিয়ে আমাদের জন্মস্থান এফডিসিতে বললেন, কেউ যদি আমাদের আঁতুড়ঘরে দাঁড়িয়ে আমাদের নিয়ে বলেন, তখন মিডিয়া, সমস্ত পত্রপত্রিকা সেটাকে গুরুত্বসহকারেই নেয়। তখন সেটা ভাইরাল হয়। কিন্তু এটাতে আমাদের যে কী ক্ষতিটা হয়, একজন রিয়াজকে দুই যুগের বেশি সময় ধরে অনেক সাধনা, অনেক ত্যাগ করতে হয়েছে শুধু ইমেজ ক্লিন রাখার জন্য। এক পা আগালেও অনেক সময় দুই পা পিছিয়ে আসতে হয়েছে। ভাবতে হয়েছে এটা আমার জায়গা না। এটা এমনি এমনি কিন্তু হয়নি।
তাহলে বলতে চাইছেন এই অভিযোগের ফলে আপনার ক্লিন ইমেজের ক্ষতি হয়েছে? সেটা যদি হয়েই থাকে তাহলে সে ক্ষতি পূরণের উপায় কী হতে পারে?
আজকে ফেসবুকের যুগে মানুষ আঙুল তুলে কথা বলতে পারে না, আমার সম্পর্কে পজিটিভ কথাই বলে। আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না। আমি একটি আদর্শকে ধরে রেখেছি, লালন করি―এটাই কি আমার দোষ? আমি রাজনীতিতে কখনোই কোনো দলের সদস্য না। আমি বঙ্গবন্ধুকে পছন্দ করি। আমি মনে করি বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, এটা আমার বিশ্বাস, এটা আমার চেতনা। এটা একটা মানুষের ক্ষেত্রে হতেই পারে। ভিন্নমত থাকতে পারে অন্যদের। এটা ছাড়া আমার কোনো শত্রু নেই, আমার কোনো হেটার্স নেই আমি মনে করি। এ রকম একটা সময় এসে একজন পরিচালক আমাকে নিয়ে এমন অভিযোগ তুলবে, আমি মনে করি আমার আরো একটি মানহানি মামলা করার দরকার। আমার আইনজীবী আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সেটাও হয়তো করব।
উনি যদি সরাসরি এসে আপনার কাছে ভুল স্বীকার করেন, তাহলে কি আপনি তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন না বা মামলার শিথিলতার বিষয়ে ভাববেন কি না?
দেখেন উনি যেটা করেছেন, উনি আমার পাবলিক ইমেজ―পাবলিক্যালি ড্যামেজ করে দিয়েছেন। যেটা বললাম এই ইমেজটা আমার দুই যুগের সময়ের অর্জন। এই দুই যুগের বেশি সময়ে আমি অশ্লীলতায় গা ভাসাইনি, কষ্ট করেছি, আমি আর্থিক সমস্যার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। কিন্তু আমি কোনো কিছুর সঙ্গে নিজেকে ভাসিয়ে দিইনি। এভাবে যখন নিজেকে একটা জায়গায় নিয়ে এসেছি, কেউ জনগণের সামনে আমার সম্মান হুমকিতে ফেলে দিয়েছে। সে মাফ চাইল, তার মানে কারো গলায় ছুরি চালিয়ে দিয়ে মাফ চাইল, আপনি তাকে মাফ করে দেবেন? তা তো হয় না আসলে। তবুও আমি তাকে মাফ করে দিয়েছি তখনই। কিন্তু আমার ভক্ত, সাধারণ মানুষ, আমার শুভাকাঙ্ক্ষী―তাদের দাবি ছিল। আর আমি যেহেতু কথা দিয়েছিলাম তাই মামলাটা আমাকে করতে হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনাকে নিয়ে এরই মধ্যে নানা বিষয়ে কথা হচ্ছে। যেমন প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছিলেন―এটা আসলে কেন? আসলেই কি আপনি এটা চেয়েছিলেন?
বিষয়টা হচ্ছে এই স্বাধীনতা তো ৩০ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি, বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের অর্জন এই স্বাধীনতা। তার সারা জীবনের আত্মত্যাগের ফসল পাওয়া এই স্বাধীনতা। স্বাধীনতার শত্রুরা স্বাধীনতার পর থেকেই ছিল বাংলাদেশে। বিভিন্ন রকম রং বদল করে ছিল। যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গবন্ধু ১৫ আগস্ট মারা যান। এর পরও কিন্তু এই চক্র নানাভাবে ষড়যন্ত্র করেই গেছে। আজকে এত বছর পরে এসেও কেউ যখন প্রশ্ন করে এই স্বাধীনতা দিয়ে কী করব, চালডাল বা মাংসের স্বাধীনতা চাই। স্বাধীনতার সাথে এটার কোনো সম্পর্ক নেই।
আপনি আমেরিকাতে যান বা যেকোনো দেশে যান দেখবেন প্রচুর মানুষ রাস্তায় কার্টন বিছিয়ে ঘুমায়, তারা কখনো দাবি করে না যে আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে কী করব। এমন প্রত্যেকটা দেশেই আছে। যখন দায়িত্বশীল পত্রিকা এমন সংবাদ করে তখন এটাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ বলে মনে হয়। এ ধরনের সংবাদ কাম্য না, অন্তত স্বাধীনতাকে নিয়ে।
কিন্তু আপনি তাদের, মানে একাধিকবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েছেন, আবার তাদের বিরুদ্ধেই মানববন্ধন করছেন―এমন কথা নিয়ে কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন রকম প্রতিক্রিয়া আমরা দেখেছি; নেতিবাচকটাই কিন্তু বেশি…
আমিও ফেসবুকে দেখেছি, রিয়াজ সাতটা মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েছেন, উনি উপস্থাপনা করেছেন, তার পরও প্রথম আলোর বিরুদ্ধে উনি কেন দাঁড়াচ্ছেন? আমার কথা হচ্ছে, প্রথম আলো আমাকে কোনো পুরস্কার দেয়নি। আমাকে পুরস্কার দিয়েছে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের দর্শকরা। আমার দর্শকরা তারকা জরিপের মাধ্যমে পুরস্কার দিয়েছে। সেটা প্রথম আলোর মাধ্যমে আমি পেয়েছি। এই পুরস্কারে প্রথম আলোর কোনো ক্রেডিট নেই। প্রথম আলো যদি বলে পুরস্কারটা আমি দিয়েছি, তাহলে সেটা আমি ছুড়ে ফেলে দেব। এটা আমাকে দিয়েছে আমার অডিয়েন্স, আমার দর্শক। তারা ভালো মনে করেছে, যোগ্য মনে করেছে। দর্শকরা যোগ্য মনে না করলে তো আমি প্রথম আলোর কাছ থেকে পুরস্কার পেতাম না।
তার পরও ধরলাম প্রথম আলোর কাছ থেকে পুরস্কারটা আমি পেয়েছি। বা প্রথম আলোই আমাকে পুরস্কারটা দিয়েছে। এখানে যদি আমি বলতে চাই, আমার বাবা যদি গলা টিপে আমার মাকে মেরে ফেলে, তাহলে কি আমি আমার বাবাকে ছেড়ে দেব? আমি বলব না যে আমার বাবা অন্যায় করেছে? তার বিরুদ্ধে মামলা করব না? কারণ আমার মা তো আমাকে জন্ম দিয়েছে। স্বাধীনতার প্রশ্নে, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বাংলাদেশে কোনো ছাড় নয়, এই যে আমরা অক্সিজেন নিতে পারছি―এটার প্রশ্নে কাউকে ছাড় দেওয়ার পক্ষে না আমি, সে যে-ই হোক না কেন। স্বাধীনতার প্রশ্নে, বাবাকেও আমি ছাড় দিতে রাজি নই।
আপনি নাকি হালুয়া রুটির পক্ষে যান―এমন উল্টাপাল্টা নানা কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়, এমন কোনো প্রসঙ্গ খেয়াল করেছেন কি?
আমিও দেখেছি ফেসবুকে কেউ কেউ বলেছে আমরা নাকি হালুয়া রুটির পক্ষে যাই। হালুয়া রুটি কথাটাকে আমি নোটেবল মনে করব এ কারণে, তারা ঠিকই বলেছে। তারা তাদের পূর্বপুরুষের কথা বলেছে। হালুয়া রুটি তাদের পূর্বপুরুষের প্রধান খাবার ছিল। আমাদের দেশের মানুষের প্রধান খাবার ভাত, ডাল, মাছ বা আমরা মাছেভাতে, ডালভাতে বাঙালি। হয়তো তাদের বাংলাদেশি এনআইডি আছে, তাদের আত্মাটা বিলং করে ওই দেশে। যার ফলে তাদের মুখ থেকে বারবার ডালভাতের বদলে হালুয়া রুটি কথাটা চলে আসে। তাদের কথাতে আমার কোনো যায়-আসে না। তবে আমি মনে করি এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ, এখন মানুষের একটু বুঝেশুনে তারপর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা উচিত। হয়তো এটা আমাদেরই ব্যর্থতা।
আজকে স্বাধীনতা না হলে আমি রিয়াজ হিসেবে কখনো আপনার সঙ্গে কথা বলতে পারতাম না। আপনি সাংবাদিক হয়ে হয়তো আমাকে খুঁজতেন না বা সাংবাদিক হতে পারতেন না। এখানে উর্দু ভাষায় কথা বলতে বাধ্য করা হতো এবং আমরা সারা জীবন চাকরবৃত্তি করেই যেতাম। আমরা কখনো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতাম না। যে দেশটি থেকে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, সে দেশ থেকে আমরা অনেক এগিয়ে গিয়েছি। এটি একটি অত্যন্ত অন্তর্দাহের ব্যাপার তাদের কাছে। স্বাধীনতার বিষয়ে যারা প্রশ্ন তুলবে তাদের সঙ্গে আমার কোনো আপস নেই।আমার জন্মদাতা পিতাও হলে আমি আপস করতাম না।
এই যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারকাদের নানাভাবেই ট্রল করা হয়। আপনি নিজেও তো দেখেন―এটা কি আপনারা, মানে আপনি সেভাবে গায়ে মাখেন না?
যারা ট্রল করে আমরা তাদের জন্য সমবেদনা জানাই। কারণ তারা অন্ধ, তারা একটি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে। তারা হয়তো রাস্তায় নামতে পারছে না, তাই হয়তো ফেসবুকের মাধ্যমে বলছে, তারা একটি সাইবার টিমের সদস্য। সো এটা তারা বলবেই। এটা নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। এটা তাদের একধরনের প্রচার-প্রচারণার অস্ত্র, তারা আমাদেরকে গালি দেবে, তারা আমাদেরকে ট্রল করবে, আমাদেরকে ইউরোপিয়ান নায়ক বলবে, যা খুশি তাই বলবে। তারা এসব বলে আমাদের পাবলিকের কাছে ইমেজ ড্যামেজ করার চেষ্টা করে। তার মানে আমরা যা বলি ঠিক বলি, আর এই ঠিক কথা ভালো লাগবে না।
ফেসবুকে একটা শ্রেণি রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত একটা ওয়েভ (তরঙ্গ) তৈরি করছে, এরপর তারা ওই ওয়েভের সঙ্গে মিল রেখে কমেন্ট করে আনন্দ পাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের স্বাধীনতা আছে কথা বলার। তাই কারো যদি ইচ্ছে হয় আমাকে গালি দেবার, সে দেবে। এতে যদি তার মনে তৃপ্তি হয় তো হোক। আমি এন্টারটেইনার, আমাকে গালি দিয়ে কেউ যদি বিনোদিত হয়, হোক। নেটিজেনদের বলব, আপনি গালিটা কাকে দিচ্ছেন যদি একটু বুঝেশুনে দেন তাহলে ভালো হয়।
এই যে বললেন আপনাকে ইউরোপিয়ান নায়ক বলে। আমরাও দেখেছি বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের মন্তব্যের জায়গায় আপনাকে ইউরোপিয়ান নায়ক বলছে। আপনি হয়তো চট্টগ্রামেই একবার বক্তব্য দেওয়ার সময়, চট্টগ্রামকে ইউরোপের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। আপনার কি মনে হয়, আপনি কি সেই তুলনা যথার্থই করেছিলেন, মানে আসলেই কি চট্টগ্রামকে ইউরোপের সঙ্গে তুলনা করার বক্তব্যটা আপনি ঠিক দিয়েছিলেন?
আমার কোনোভাবেই মনে হয় না আমি চট্টগ্রামের সেই বক্তব্য ভুল দিয়েছি। তখন যেটা হয়েছে, অনেকেই অনেক ধরনের কথা বলেছে। আমি আসলে কখনোই মনে করিনি যে এটা ক্লিয়ার করা দরকার। আপনি যেহেতু বলছেন, সেহেতু এটা আজ ক্লিয়ার করছি। আমরা বিমানে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাই। সেখানে এয়ারপোর্ট থেকে গাড়ি করে আমরা বে টার্মিনালের পাশ থেকে যে নতুন রাস্তাটা হচ্ছে, সমুদ্রকে ক্লেইম করে, ওই রাস্তাটা দিয়ে আমরা চট্টগ্রাম শহরে আসি। এটা মেরিন ড্রাইভ রোড। এখানে কথা হয়েছে―উনি আসলেন বিমানে, উনি রাস্তা দেখলেন কোথায়? আমি কি বিমানে করে সরাসরি সার্কিট হাউসে নেমেছি? আমাকে তো এয়ারপোর্টে নামতে হয়েছে। আমাকে বিমানবন্দর থেকে নেমে বে টার্মিনালের রাস্তা দিয়ে যেতে হয়েছে, টাইগার পাসের মাঝখানে একটা অদ্ভুত সুন্দর রাস্তা রয়েছে। সমুদ্রকে ক্লেইম করে দুবাই প্রথম রাস্তা করেছে। তারপর নানা দেশ সমুদ্র ক্লেইম করে রাস্তা করছে। তো আমার কাছে মনে হয়েছে এটা পজিটিভ থিংক। আপনি দেখেন আমাদের কর্ণফুলী নদীর নিচ দিয়ে টানেল তৈরি হয়েছে। আমরা কখনো দেখিনি, বাংলাদেশে টানেল হতে পারে, মেট্রো রেল হতে পারে স্বপ্নেও ভাবিনি, আমরা বাইরে গিয়ে দেখেছি।
এতো সুন্দর চওড়া একটা রোড, সমুদ্র থেকে ল্যান্ড ক্লেইম করে বানানো হয়েছে। অদ্ভুত লেগেছে আমার কাছে, আমি আমার আনন্দ প্রকাশ করেছি। বাংলাদেশি হিসেবে এটাকে আমার কাছে মনে হয়েছে একটা অর্জন। আমার দেশের অর্জন আমি বাইরের দেশের সাথে তুলনা করতেই পারি, এটা আমার ভালোবাসা, ভালো লাগা। এতেও যাদের গাত্রদাহ হয়, তারাই ট্রল করছে না জেনেবুঝে।





