দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবনী নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘মাইকেল’।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিশ্বজুড়ে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি জার্মানির বার্লিনে আয়োজন করা হয় এক বর্ণীল ও জাঁকজমকপূর্ণ প্রদর্শনী। এর মাধ্যমে পর্দায় প্রথমবারের মতো দেখানো হয় মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’।
সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তার ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। জাফারের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং প্রতিটি নাচের স্টেপ দর্শকদের মনে করিয়ে দেয় আসল মাইকেল জ্যাকসনের কথা। তার অসাধারণ অভিনয়ের জাদুতে যেন মৃত্যুর ১৬ বছর পর রুপালি পর্দায় আবারও জীবন্ত হয়ে উঠলেন সংগীতের এই মহানায়ক।
লায়ন্সগেটের প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অ্যান্টোইন ফুকুয়া। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনবার অস্কার মনোনীত জন লোগান। কেন্দ্রীয় চরিত্রে জাফারের সাথে আরও অভিনয় করেছেন নিয়া লং, লরা হ্যারিয়ার, মাইলস টেলার এবং কোলম্যান ডোমিঙ্গোর মতো তারকারা।
সিনেমার প্রতিটি দৃশ্যে গায়কের ছোটবেলা, বেড়ে ওঠা, গানের জগতে আসা আর কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করা মুহূর্তগুলো দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সংগীতপ্রেমীরা তাই সিনেমাটি দেখার জন্য প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করছেন। কিংবদন্তির শৈশব থেকে শুরু করে দুর্দান্ত স্টেজ পারফরম্যান্স পর্যন্ত তার জীবনের প্রতিটি বাঁক এই বায়োপিকে অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট আমেরিকার ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের গ্যারি শহরে জন্ম নেওয়া মাইকেল ছিলেন সংগীতপ্রেমী পরিবারের অষ্টম সন্তান। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে ভাইদের সাথে দ্য জ্যাকসন ফাইভ দলের লিড ভোকালিস্ট হিসেবে তার সংগীত জীবনের যাত্রা শুরু হয়। আশির দশকে থ্রিলার অ্যালবামের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান তিনি। ২০০৯ সালের ২৫ জুন না ফেরার দেশে পাড়ি জমান পপ সংগীতের এই বিশাল তারকা।





