বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ১৬৩টি হজ ফ্লাইটে ৬৩ হাজার ২৬১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন বলেন, সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৬৩টি ফ্লাইট জেদ্দায় অবতরণ করেছে।
হজ বুলেটিন অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত স্বাভাবিক কারণে ১৭ জন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ এবং পাঁচজন নারী। মক্কায় ১২ জন এবং মদিনায় পাঁচজন মারা গেছেন।
এতে আরো বলা হয়, সৌদি মেডিকেল টিম গতকাল পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৩৭০ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে, আর আইটি হেল্পডেস্ক ১৭ হাজার ৯৮৮ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনকে হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৬০টি এজেন্সি হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি লিড এজেন্সি এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।
এয়ারলাইন্সভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৮৩টি ফ্লাইটে ৩২ হাজার ৮৪০ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৫৮টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ৯৬৫ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৪৫৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক আরও জানান, অবশিষ্ট ১৫ হাজার ১২৬ জন হজযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ধীরে ধীরে যাত্রা করবেন।
৪১৮ জন হজযাত্রী বহনকারী প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।
ঢাকায় সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত মোট ৭৮ হাজার ৩৮৭টি ভিসা ইস্যু করেছে, যার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৬৫টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯২২টি।
সৌদি আরবে গতকাল রোববার (১৭ মে) পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সে হিসাবে দেশটিতে ১০ জিলহজ ২৭ মে (বুধবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে। ঈদের আগের দিন ২৬ মে পবিত্র হজ পালিত হবে।
ফেরত হজ ফ্লাইট আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ছেড়ে আসা শুরু হবে। শেষ ফিরতি হজ ফ্লাইট আগামী ৩০ জুন নির্ধারিত রয়েছে।





