ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) অনুমতি ছাড়া বা নির্ধারিত রুটের বাইরে কোনো জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে তার দায় সংশ্লিষ্ট জাহাজকেই নিতে হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে। GeographicReference
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা বা হস্তক্ষেপের চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে সতর্ক করেছেন। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা এবং একটি জাহাজে ড্রোন হামলার পর আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) উদ্ধার অভিযানও সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার কথা ইরানের। কারণ বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তবে বাস্তবে সমুদ্রপথে সেই নিরাপত্তা এখনো নিশ্চিত হয়নি বলে দাবি করছে শিপিং খাতের সংশ্লিষ্টরা।
এই সতর্কবার্তার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইরানের নজরদারি এড়াতে অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ এখন ওমান উপকূলসংলগ্ন বিকল্প রুট ব্যবহার করছে। তবে কোন রুট নিরাপদ, তা নিয়ে এখনো স্পষ্টতা না থাকায় জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা বা হস্তক্ষেপের চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে সতর্ক করেছেন। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা এবং একটি জাহাজে ড্রোন হামলার পর আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) উদ্ধার অভিযানও সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।





