দেশের অভ্যন্তরে এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টানা অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে কুড়িগ্রামের পাটেশ্বরী স্টেশনে দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সাথে তিস্তা, ধরলা, সুরমা ও কুশিয়ারাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে।
সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এই তথ্য জানিয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিন রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগসহ ভারতীয় উজানে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার পানি আগামী পাঁচ দিন বাড়তে থাকবে এবং আগামী ২ থেকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে, যার ফলে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। একই সাথে সিলেট, সুনামগঞ্জ, শেরপুর ও নেত্রকোণার নিম্নাঞ্চলেও সাময়িক প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের প্রধান নদীগুলো এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।





