ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ আজ। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে দিবসটি। এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’। দিবসটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বর্তমান ও সাবেক শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, অভিভাবক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার আধুনিকায়ন এবং ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) সংলগ্ন চত্বরে জাতীয় পতাকার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হলের পতাকা উত্তোলন এবং কেক কাটাসহ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিশেষ সংগীত পরিবেশনা হবে।
সকাল সাড়ে ১০টায় টিএসসি মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। সভায় সভাপতিত্ব করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
অন্যদিকে, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে বিকেল ৩টায় অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আজ দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যানবাহন প্রবেশ সীমিত রাখা হবে।
এ সময় শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, শিববাড়ি ক্রসিং, ফুলার রোড ও নীলক্ষেত প্রবেশপথ দিয়ে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন এবং জরুরি সেবার আওতাভুক্ত অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক, রোগী, সাংবাদিক, রাইড শেয়ার, খাবার সরবরাহ, অনলাইন শপিং সেবার যান ও অন্যান্য সরকারি যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে। তবে পলাশী থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে হাইকোর্ট মোড় পর্যন্ত সড়ক চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। যদিও গণপরিবহণ ও ভারী যানবাহনের চলাচল সার্বক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে।





