ব্র্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা

আগামী মাসে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লিতে যোগ দেবেন কি না তা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেছেন, আমরা তো ব্রিকসের সদস্য নই। আমাদেরকে পর্যবেক্ষক হিসেবে ইনভাইট করা হয়েছে। সরকারের পর্যায়ে সিদ্ধান্ত আসবে প্রধানমন্ত্রী যাবেন কি না। গেলে তো কারো কারো সাথে বৈঠক করার সুযোগ থাকে। সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। সেই অর্থে এটা নিয়ে প্রাথমিক কথাবার্তা শুরু বলে আমার জানা নেই।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হবে। ১১ সদস্য দেশের এই সম্মেলনে বাইরের বিভিন্ন দেশকে বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে আয়োজক দেশ।

দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের বরফ গলানোর প্রক্রিয়ায় সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য হতে চায় কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত স্পেসিফিকলি কোনো সিদ্ধান্ত হয়ে যায়নি। বহুপাক্ষিক যত জায়গা আছে, সবকিছুতেই চিন্তা আছে কানেক্টেড হওয়ার।

রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন কোনো কর্মকাণ্ডের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেয়া যাবে না, তবে এর আগে-পরে কোনো অপরাধ করে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ আছে। এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

উপদেষ্টা বলেন, ৩২ যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠানো হয়েছে বিধি মেনেই। কেননা, চাকরির বয়স ২৫ বছর হলে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে পারে সরকার।

২০১৮ সালের নির্বাচনে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অপরাধ হয় উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, ঐ নির্বাচনের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। শাপলা চত্বর হত্যা মামলার বিচারের পথে সরকারের বাধা হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও জানান তিনি।

এছাড়াও, পর্যটন নগর কক্সবাজারকে পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে রুপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।