হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দয়াময় আল্লাহতায়ালার সাহায্য চাওয়ার জন্য অসংখ্য দোয়া শিখিয়েছেন। মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিৎ সেগুলো আমল করা। কারণ, অধিকাংশ দোয়াই আল্লাহতায়ালা তাকে অহির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষা দিয়েছেন। আবার কোনো কোনো দোয়ার ব্যাপারে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, মুমিন মুত্তাকিগণ এভাবে দোয়া করে, এই পরিস্থিতিতে এই ভাষায় প্রার্থনা করে এবং ধৈর্য্যধারণ করে বিনয়াবনত হয়। এগুলোও পরোক্ষভাবে নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মোনাজাত। কারণ তিনি পৃথিবীর তাবৎ মানুষের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মুমিন ও মুত্তাকি। সুতরাং যে প্রার্থনা সৎ, নেককার, মুমিন ও মুত্তাকিদের- সে প্রার্থনা অবশ্যই সর্বাগ্রে হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের। এখানে নবী কারিম (সা.)-এর শেখানো দু’টি দোয়া উল্লেখ করা হলো-
অপছন্দনীয় কিছু দেখলে যে দোয়া পড়তে হয়
উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল। অর্থ: সর্বাবস্থায় আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা।
আম্মাজান হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) অপছন্দনীয় কিছু দেখলে উল্লিখিত দোয়া পাঠ করতেন। -সুনানে ইবনে মাজাহ: ৩৮০৩
কঠিন বিপদে নবী কারিম (সা.) যে দোয়া পড়তেন
মানুষের জীবনে অনেক সময় দুঃখ-দুর্দশা নেমে আসে। তখন অস্থির হয়ে পড়ে সবার অন্তর। এমন বিপদঘন মুহূর্তে নবী কারিম (সা.)-এর একটি দোয়া বেশি পড়তেন। দোয়াটি হলো-
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আজিমুল হালিম। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আজিম। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরদি ওয়া রাব্বুল আরশিল কারিম।
অর্থ: মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। মহান আরশের অধিপতি আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর অধিপতি আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি মহান আরশের অধিপতি।
হজরত আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, নবী কারিম (সা.) কঠিন বিপদের সময়ে দোয়াটি পড়তেন। -সহিহ বোখারি: ৬৩৪৬





